লামায় কৃষাণীকে কুপিয়ে জখম করে কৃষকের ধান লুট

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:

বান্দরবনের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে লাইম্যাখোলা এলাকায় কৃষকের আবাদকৃত জমির ধান লুটে নিয়ে কৃষাণীকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষ। ২৬ ডিসেম্বর শনিবার বেলা ১২টার দিকে এঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত কৃষাণী রাশেদা বেগম(৫৫) কে উদ্ধার করে লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, আহত রাশেদা বেগমের স্বামী মুক্তার আহমদ(৬০) ৩০৬নং ফাইতং মৌজার ২৪৫৪ হোল্ডিংয়ের ৫একর ধানের জমি ৩০/৩১ বছর যাবৎ বন্দোবস্তী মূলে মালিক হয়ে আবাদ করে আসছে। পার্শ¦বর্তী চকরিয়া উপজেলার বরইতলী এলাকার নেজাম উদ্দিন ও আরিফুল ইসলাম সহ ৬/৭জনের সঙ্গবদ্ধ একটি গ্রুপ উক্ত জমি জোর পূর্বক দখল করতে চেষ্টা চালায়। শনিবার বেলা ১২টার দিকে প্রতিপক্ষ নেজাম ও আরিফ এর নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের একটি গ্রুপ এসে মুক্তার আহমদের লাগানো ধান কেটে পিকআপ করে নিয়ে যায়। এসময় রাশেদা বেগম ধান কাটতে বাধা দিলে দা, লাঠি সুটা দিয়ে প্রতিপক্ষ তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তার মাথায় দা দিয়ে কোপ দিলে গুরুতর ভাবে আহত হয় ও লাঠি দিয়ে মেরে দুইটি হাত ভেঙ্গে দেয়।

মুক্তার আহমদ বলেন, বর্তমানে আমার পরিবারের কারোই জীবনে নিরাপত্তা নেই। ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলাউদ্দিন এর সামনে সন্ত্রাসী নেজাম, আরিফ ধান কেটে লুটে নিয়ে যায় এবং কুপিয়ে আমার স্ত্রীকে জখম করে। হামলার আশংকা করে গত ৬ ডিসেম্বর লামা থানায় মামলা করি। যা মামলা নং ৪১০/১৫।

ফাইতং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলাউদ্দিন জানান, প্রতিপক্ষ নেজাম ও আরিফ প্রভাব খাটিয়ে ক্ষমতা অপব্যবহার করে মুক্তার আহমদের ধান কেটে নিয়ে যায়। আমি আহত রাশেদাকে লামা হাসপাতালে চিকিৎসা করে লামা থানায় মামলা করতে পরামর্শ দিয়েছি।

লামা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল হোসেন এ প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি আমি অবগত নয়। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ