সমুদ্রের গভীরে ৮২ ফিট উঁচু পিরামিড

সমুদ্রের গভীরে ৮২ ফিট উঁচু পিরামিড। ১৯৮৬ সালে চোখে পড়ে এক ডাইভারের। তারপর থেকেই মেরিন জিওলজিস্টদের নজরে জাপানের ইয়োনাগুনি দ্বীপ। এই দ্বীপের উপকূলে লুকিয়ে আছে ওই পাথর। যার মধ্যে একটি ৮২ ফিট উঁচু পিরামিড। ঐতিহাসিকদের বিশ্বাস, এই স্থাপত্য ৫ হাজার বছরের প্রাচীন।সমুদ্রের গভীরে ৮২ ফিট উঁচু পিরামিড

কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ না থাকলেও জাপানি উপকথা বলে, প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে ছিল মু সভ্যতা। ২০০০ বছর আগে ভূমিকম্পে যা বিলীন হয়ে যায় সমুদ্রে। পরবর্তীকালে ১৭৭১ সালে এই অঞ্চলে আছড়ে পড়ে ভয়ঙ্কর সুনামি। পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ডেড সুনামির মধ্যে এটি ভয়ঙ্করতম। প্রায় ১৩১ ফিট অবধি উঁচু হয়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরের ঢেউ। ঐতিহাসিকদের আশঙ্কা, হয়তো মু সভ্যতার সময়েও এই ধরনের কোনও বিপর্যয় দেখা দিয়েছিল।

সমুদ্রের গভীরে ৮২ ফিট উঁচু পিরামিড

ঐতিহাসিকরা বলছেন, প্রকৃতির খেয়ালে, একে একে পানির নিচে চলে গেছে প্রাসাদ, মন্দির, স্টেডিয়াম, রাজপথ। দুটি অদ্ভূতদর্শন মোনোলিথিক স্থাপত্যকে তো বলা হয় পিরামিড এবং স্ফিংক্স।

তবে একদল বিজ্ঞানীর মত, ওই শিলারাশি মানুষের তৈরি নয়, বরং তা প্রাকৃতিক। সত্যাসত্য স্থির করতে জাপান সরকারের তরফে চালানো হয়নি কোনও অনুসন্ধান। ফলে মানুষ না প্রকৃতি, কার শিরোপায় পালক গুঁজবে এই শিলারাশি, এখনও স্থির হয়নি। নিজেদের উৎস এবং পরিচয় জানার অপেক্ষায় দিন গুনছে প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরে ধাপে ধাপে নেমে যাওয়া রহস্যময় পাথর।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ