মোরাপত্র লেখক সমাজ (মোপলেস), চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ১০ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার সন্ধ্যায় কদম মোবারক এম.ওয়াই উচ্চ বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মহানায়ক উত্তম কুমার ও মহানায়িকা সুচিত্রা সেন’কে নিবেদিত শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মোরাপত্র লেখক সমাজ (মোপলেস) এর সভাপতি সজল দাশ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ডা. রতন চক্রবর্ত্তী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন বরেণ্য বুদ্ধিজীবী, প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক এডভোকেট মনজুর মাহমুদ খান। উদ্বোধক ছিলেন গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ফজল আহমদ। প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট কলামিস্ট লায়ন এ.কে জাহেদ চৌধুরী। আলোকিত অতিথি ছিলেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ভানু রঞ্জন চক্রবর্ত্তী।
বিশেষ আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মো: কামাল উদ্দিন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, মোপলেস এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সজল দাশ, সাধারণ সম্পাদক শিল্পী অচিন্ত্য কুমার দাশ, বিশিষ্ট সংগঠক অধ্যক্ষ রতন দাশগুপ্ত, সংগঠক আসিফ ইকবাল, সংগঠক স.ম জিয়াউর রহমান, সাংবাদিক শিমুল দত্ত, সংগঠক ছবির আহমদ, সংগঠক দিলীপ সেনগুপ্ত, শিল্পী নারায়ণ দাশ, শিল্পী হারাধন নাহা বাসু, শিল্পী হানিফুল ইসলাম চৌধুরী, সংগঠক সুরেশ দাশ, সাংবাদিক ইমরান সোহেল, সংস্কৃতিকর্মী নিলয় দে, হৃদয় মল্লিক। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক দুলাল বড়–য়া, চট্টগ্রাম উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি শাহ নুরুল আলম, বিপ্লব চৌধুরী প্রতাপ, শেখ মাহমুদুর রহমান, মো: হোসেন, বাবু টিটন দেব, শিল্পী চৌধুরী, প্রিয়াংকা মন্ডল, রিতা দাশ, রূপসী বিশ্বাস, নবদেব আচার্য, ক্ষমা দাশগুপ্তা, কমল দাশ, প্রযুক্তি স্তুতি ভট্টাচার্য্য, শাহানা আকতার রেমিন, বেবী দাশ, নিখিল দাশ, মো: জাফর আলম, পান্না দাশ, সুপর্ণা দাশ হ্যাপি, প্রাঞ্জন দে পাপন, ফারহানা আক্তার নাফিজা, শাহ জামাল, ফয়সাল আহমদ, সাঈদুর রহমান প্রমুখ।
প্রধান অতিথি এডভোকেট মনজুর মাহমুদ খান বলেন, ১০ জানুয়ারি মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে এবং এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর স্বাধীন দেশে ফিরে এসেছিলেন। সুতরাং এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সাথে সাথে মোপলেস এর উদ্যোগে বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মহানায়ক উত্তম কুমার ও মহানায়িকা সুচিত্রা সেন’কে নিবেদিত শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় তিনি সংগঠনের কর্মকর্তাদের সাধুবাদ জানান।
কারণ তাঁরা দু’জন ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় শিল্পী। তাঁরা তাঁদের স্বীয় অভিনয় গুণে বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। তাঁরা ছিলেন চলচ্চিত্র আকাশে উজ্জ্বল ধ্রুবতারা, যে তারার শিখা জ্বলবে অনন্তকাল। উদ্বোধক ফজল আহমদ বলেন, মহানায়ক উত্তম কুমার ও মহানায়িকা সুচিত্রা সেন অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো বাঙালির অমূল্য সম্পদ। ছবিগুলোতে রয়েছে তাঁদের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া অভিনয়। এখনো তাঁদের অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো জনপ্রিয়তার শীর্ষে।
যা একবার দেখলে বার বার দেখতে ইচ্ছে করে। প্রধান আলোচক লায়ন এ.কে জাহেদ চৌধুরী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশটি স্বাধীন করেছিলেন বলেই সংস্কৃতিকর্মীরা আজ মুক্ত মনে অনুষ্ঠান করে চলেছে। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মোপলেস এর পক্ষ থেকে উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেন’কে নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য তিনি সংগঠনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।
সভার সভাপতি ডা. রতন চক্রবর্ত্তী যারা মূল্যবান সময় ব্যয় করে মোপলেস এর অনুষ্ঠানে এসে অনুষ্ঠানকে সফল করেছেন সকলের প্রতি শুভেচ্ছা, অভিনন্দন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। শেষে প্রধান অতিথি অন্যান্য অতিথিদের সাথে নিয়ে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন।
























