৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ভোর ছয়টা থেকে খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের অবরোধ চলছে

পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের হুঁশিয়ারিতেও ধর্মঘট ও অবরোধ কর্মসূচিতে অটল রয়েছে খুলনা অঞ্চলের রাষ্ট্রায়ত্ত সাত পাটকলের শ্রমিকরা।

প্রধানমন্ত্রীর টাকা বরাদ্দ প্রদানের ঘোষণা এবং দুই সপ্তাহের মজুরি নিয়ে কাজে যোগদানের বিষয়ে সবকিছুকে উপেক্ষা করে পাটকল শ্রমিকরা দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া অবরোধ কর্মসূচি তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রেখেছেন।

বুধবার ভোর ছয়টা থেকে আবারো লাগাতার রাজপথ-রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেছেন শ্রমিকরা।

এদিকে, ঢাকায় অবস্থানরত রাষ্ট্রায়ত্ত সাত জুট মিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বুধবার দুপুর আড়াইটায় পাটমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। বৈঠক ফলপ্রসু হলেই কেবল আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। অন্যথায় কোন চাপ প্রয়োগ করে আন্দোলন থামানো যাবে না বলে ঘোষণা তাদের।

নগরীর নতুন রাস্তা মোড়সহ খুলনা-যশোর মহাসড়কের তিনটি স্থান এবং রেলপথে অবস্থান নিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। কোন প্রতিশ্রুতি এবং হুমকি-ধামকি নয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন থেকে পিছপা হবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।

ঢাকায় অবস্থানরত রাষ্ট্রায়ত্ত্ব জুট মিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মো. সোহরাব হোসেন বলেন, সাত জুট মিল সিবিএ-ননসিবিএ ঐক্য পরিষদের নেতাদের সঙ্গে আজ বুধবার দুপুর আড়াইটায় পাটমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে। বৈঠক ফলপ্রসু হলেই কেবল আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে। অন্যথায় কোন চাপ প্রয়োগ করে আন্দোলন থামানো যাবে না। আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

পূর্বে,সোমবার সরকার শ্রমিকদের বকেয়াসহ পাট শিল্পের উন্নয়নে সরকার এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা দিলে খুলনার জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল আহসান শ্রমিকদের অবরোধ তুলে নেয়ার আহ্বান জানান। কিন্তু তারা পাটমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় অটল থাকেন। এছাড়া মঙ্গলবার পাট শ্রমিকলীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর পাট প্রতিমন্ত্রীর দুই সপ্তাহের মজুরি নিয়ে কাজে যোগ না দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণায় শ্রমিকদের মধ্যে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ