সাদ্দাম হোসেন,আনোয়ারা, চট্টগ্রাম:
শোকাবহ ১৫ আগস্ট। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদাত বার্ষিকী। ১৯৭৫ সনের ১৫ আগস্টের এই দিনটিতে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাসায়একদল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কুচক্রী মহলের ষড়যন্ত্রে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী প্রভাবিত সেনা-সদস্যের অমানবিক নৃশংসতায় সপরিবারে হত্যা করা হয়।ঘাতকদের হাতে একে একে প্রাণ হারান বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। বিশ্বের এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তাঁর ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্ত, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু’কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এটি একটি ঘৃণ্যতম ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। তিরিশ লক্ষ শহীদের রক্তের সাগর দিগন্তে উদিত হয় বাংলার স্বাধীনতার লাল সূর্য। মা-বোনের লুণ্ঠিত সম্ভ্রম ওকোলশূন্য আহাজারি মথিত আকাশ বাতাসে উড্ডীন হয় স্বাধীন সোনার বাংলার দৃপ্ত পতাকা। কোটি কণ্ঠে জয় বাংলা ধ্বনির প্লাবনে ভেসে যায় পৃথিবীর এ-প্রান্ত থেকে ও-প্রান্ত। বিশ্ব অবাক হয়ে চেয়ে রয় বাঙালি ও বঙ্গবন্ধুর দিকে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বের নিপীড়িত শৃঙ্খলিত সকল মানুষের কাছে হয়ে ওঠেনমুক্তির প্রতীক। তাঁর অটল নেতৃত্বে মুক্তির এই অর্জন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির এ বিজয় মেনে নিতে পারে না বাঙালির প্রতিপক্ষ। তারা আঘাত হানতে উদ্যত হয়।তারা ঝাঁপিয়ে পড়ে মুক্তির প্রতীক বঙ্গবন্ধুকে খুন করে বাঙালির স্বাধীনতাকেই উচ্ছেদ করে দিতে। তাই একের পর এক হত্যা করে শিশুপুত্র শেখ রাসেলসহ পরিবারের আরও অনেককেই। বাঙালির স্বাধীন-সার্বভৌম মাটি ভিজে ওঠে জাতির পিতার উষ্ণ তাজা রক্তে। পিতার সে রক্ত আজও শুকোয়নি এ বাংলাদেশে। ৫৬ হাজার বর্গমাইলভিজে আছে পুণ্য সেই রক্তে। আজও বাংলার পূর্ব দিগন্তে প্রতি ভোরে উদিত সূর্য আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় বঙ্গবন্ধুর সেই অমর বজ্রকণ্ঠ, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো, ইনশাল্লাহ।’ যতদিন পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকবে, বাংলা ভাষার অস্তিত্ব থাকবে, পদ্মা, মেঘনা, গৌরি, যমুনা, বহমান থাকবে; ততদিন এদেশের মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু চিরঞ্জীব ও চিরঅম্লান হয়ে থাকবেন। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাংলাদেশের ইতিহাসের মহানায়ক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ সংগ্রাম, নেতৃত্ব আর আত্মত্যাগের ফলেই বাঙালি জাতি তাদের নিজস্ব একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে বিজয়ের পতাকা। বঙ্গবন্ধুর অবদানের এই স্বীকৃতি এদেশের মানুষ দিয়েছে। তাঁকে বরণ করে নিয়েছে জাতির জনক হিসেবে।
নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। সম্ভব করেছেন অসম্ভবকে। পরাধীনতার যাতনা থেকে মুক্তি দিয়েছেন এদেশের মানুষকে। অবিসংবাদিত এ মহান নেতা বাঙালি জাতীয় চেতনার এক প্রজ্বলিত শিখা। তিনি ছিলেন সমগ্র বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রামের অগ্রনায়ক। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দাবী উত্থাপন করেন। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে তিনি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেন। কিন্তু পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে ষড়যন্ত্র করে বঙ্গবন্ধুর নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর না করে গড়িমসি করে। এমতাবস্থায় ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালিজাতিকে মুক্তির আহবান জানিয়ে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।জয় বাংলা।’ তিনি এ ঘোষণায় আরো বলেন, ‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে।…. রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দিব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।’ বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর কার্যত পূর্ব পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে পাক হানাদাররা। গোটা বাংলাদেশ চলছে বঙ্গবন্ধুর অঙ্গুলি হেলনে, নির্দেশে। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর থেকে বঙ্গবন্ধু যে নির্দেশ দিচ্ছেন, সেই অনুযায়ী চলছে বাংলাদেশ। শুধু ক্যান্টনমেন্ট ছাড়া বাংলাদেশের আর কোথাও কোন নিয়ন্ত্রণ নেই পাকিস্তানের সামরিক জান্তার। একাত্তরের এই দিনে মিছিলে মিছিলে উত্তাল ছিল সারাদেশ। সারাদেশে দেশমাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে যুবকরা ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে। চলে বিভিন্নস্থানে গোপন অস্ত্রের প্রশিক্ষণ, গেরিলাযুদ্ধের প্রস্তুতি। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামে অভিযান পরিচালনা করে নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাপিয়ে পড়ে গণহত্যা শুরু করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু ২৫ মার্চ রাত ১২টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ঘোষণাটি ছিল, ‘এটাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশে স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ, তোমরা যে যেখানেই আছ এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সৈন্যবাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য আমি তোমাদের আহবান জানাচ্ছি। পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না
হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।’ বঙ্গবন্ধুর এ আহবানে সাড়া দিয়ে পূর্ব বাংলার আপামর জনসাধারণ সর্বশক্তি দিয়ে পাকিস্তানি হায়েনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, ৩০ লক্ষ শহীদ ২ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাঙালি জাতি অর্জন করে চূড়ান্ত স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর সুদক্ষ নেতৃত্বের বদৌলতে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। যাবতীয় বিবেদ, ভেদ-বৈষম্য দূর করে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিকরাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুরু হয় জাতির জনকের নেতৃত্বে। কিন্তু শত্রুরা তা সহ্য করতে পারেনি। জাতির জনককে হত্যা করে তারা এদেশের অগ্রগতিকে থামিয়ে দেয়। বঙ্গবন্ধু যদি তাঁর জীবনবৃত্ত পূর্ণ করে স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করতেন তাহলে বাংলাদেশ সত্যিই সোনার বাংলায় পরিণত হতো। মাত্র ৫৫ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবনে তিনি বাংলারমানুষকে যা দিয়েছেন তা তুলনাহীন। এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য কখনো মলিন হবার নয়। অনন্য গুণের অধিকারী এই মহামানবের সারাটি জীবন ব্যয় হয়েছেবাঙালি জাতির কল্যাণচিন্তায়। তাঁর সারাটা জীবন ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রচ- দ্রোহ। মৃত্যুর মুখ থেকে জীবনে বহুবার তিনি ফিরে এসেছেন। কিন্তু কখনোই আপসকামিতার পথে হাঁটেননি। বঙ্গবন্ধু যখন বিভিন্নমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করতে শুরু করেন ঠিক সেই মুহূর্তে স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি ও কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ওই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হিসেবে আমাদের জাতির পিতাকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মাত্র ৫৫ বছর বয়সে ঘাতকদের হাতেপ্রাণ দিতে হয়েছিল । আসলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস। এই মহানায়কের জন্ম না হলে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের এ স্বাধীন সার্বভৌম দেশের অভ্যুদয় হত না এবং বাঙালিরা একটি স্বাধীন জাতি হিসাবে বিশ্ব সভ্যতায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারতো না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল এবং বর্তমান শাসনকাল বাদ দিলে বাদবাকি সময়ে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দেয়া হয়েছিল পাঠ্যপুস্তক, ইতিহাস,সরকারি প্রচার মাধ্যম থেকে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় না আসলে হয়তো বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার অধরাই রয়ে যেতো। কিন্তু একটি কথা পরিস্কার। জনমন থেকে, সাধারণ মানুষের হৃদয়ের গভীর থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দেয়া সম্ভব হয় নি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার বৈধ অধিকার একমাত্র বঙ্গবন্ধুরই ছিল। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণার অধিকার অর্জন করেছেন এ বাংলার জনগণের জন্য তার সারা জীবনের আন্দোলন সংগ্রাম এবং সত্তরের নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের মধ্য দিয়ে, এটি কারো দান নয়। বাঙালি জাতিসত্তার গর্বিত উত্তরাধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন ভবিষ্যত প্রজন্মের সামনে, অপরিমেয় গৌরবের, অপরাজেয় গণশক্তির। এ শক্তি সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, প্রগতিশীলতার পক্ষে। তাইতো আজও বাঙালির মনের কোঠায় বঙ্গবন্ধু চির জাগ্রত। বঙ্গবন্ধুর বুদ্ধিদীপ্ত নেতৃত্ব ও নির্দেশনায় আমরা মুক্তিযুদ্ধে জয়লাব করেছি, পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশ এখনও তাঁর স্বপ্নের আদলে গড়া তুলা যায়নি। আমাদের উচিত হবে জাতির জনকের আদর্শকে ধারন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করা, ক্ষধা ও দারিদ্র্যমুক্ত, নবসাম্যপূর্ণ,
অসাম্প্রদায়িক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে এগিয়ে নেয়া। বর্তমান সরকার দেশ থেকে ক্ষুধা,দারিদ্র্য, শোষণ, বঞ্চনা সন্ত্রাস চিরতরে দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার করাও বর্তমান সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার। এসব অঙ্গীকার পূরণে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐকান্তিকসমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করি। ‘স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলায় পরিণত করা ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। আমাদের মহান নেতার সে স্বপ্ন পূরণ করতে সমাজ থেকে ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অশিক্ষাসহ নানা সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণে আমাদের অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আজ সারাদিন ধরেই দেশের সকল ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, পৌরসভা, থানা, উপজেলা, মহানগর ও জেলাসমূহের প্রতি পাড়া, মহল্লায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, সহযোগী সহসংগঠনসহ সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেসারাদেশে বিভিন্ন মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। শোক দিবসউপলক্ষে জাতীয় দৈনিকপত্রিকাসমূহে ক্রোড়পত্র প্রকাশ এবং বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্যান্য চ্যানেলসমূহ ও মিডিয়ায় শোক দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে।























