৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চীন থেকে গণহারে আনা হচ্ছে নিম্নমানের সি সি ক্যামেরা

পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশের পাশাপাশি অপরাধী শনাক্তের ক্ষেত্রে হঠাৎ করেই চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার। আর সুনির্দিষ্ট কোন নিয়ম-নীতি ও মনিটরিং না থাকায় চীন থেকে গণহারে আনা হচ্ছে নিম্নমানের সি সি ক্যামেরা।

এসব ক্যামেরার চিত্র ধারণ ক্ষমতা একেবারেই সীমিত। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, উন্নতমানের সিসি ক্যামেরা না হলে লক্ষ্যই ভেস্তে যাবে।

এক মাস আগেও জরুরি প্রয়োজন না হলে বাসা-বাড়ি কিংবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরার তেমন ব্যবহার ছিলো না। কিন্তু ক্রমাগত নাশকতা বাড়তে থাকায় অপরাধী শনাক্তে গুরুত্ব বেড়ে গেছে সিসি ক্যামেরা’র। এর মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকেও দেয়া হয়েছে বিশেষ নির্দেশনা। এ অবস্থায় চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে দামও বাড়ছে বলে জানালেন বিক্রেতারা।

সাধারণ মানের ক্যামেরা দিয়ে মাত্র ১০ থেকে ২০ মিটার দূরত্বের চিত্র ধারণ সম্ভব। তবে এইচডি মানের ক্যামেরা দিয়ে ৩০ থেকে ৭০ মিটার দূরত্বের চিত্র ধারণ করা যায়। কিন্তু মানুষের মধ্যে ধারণা না থাকায় নিম্নমানের ক্যামেরা তুলনামূলক বেশি বিক্রি হচ্ছে বলে জানালেন চট্টগ্রামের গ্লোবাল টাচ- এর মালিক সৈয়দ মোহাম্মদ ইসমাইল আজাদ ও ডব্লিউথ্রি এক্সপ্লোয়ার্স বাংলাদেশ -এর সি ই ও প্রকৌশলী রাজীব দাস।

এদিকে সিএমপি’র কমিশনার আবদুল জলিল মন্ডলের মতে, নিম্নমানের ক্যামেরায় নাইটভিশন সিস্টেম দুর্বল হওয়ায় রাতের চিত্র দেখে অপরাধীকে শনাক্ত করা কঠিন।

আগে চট্টগ্রামে প্রতি মাসে মাত্র কয়েকশ’ ক্যামেরা বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে তিন থেকে চার হাজার।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ