ঈদে ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চলাচলরত যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতির মতো অপরাধ ঘটতে পারে এ ধরণের ৪০টি পয়েন্ট চিহ্নিত করেছে পুলিশ। বাসে যাত্রীবেশে উঠে ডাকাতি শেষে এসব পয়েন্টে নেমে পড়ার পাশাপাশি ব্যারিকেড দিয়েও ডাকাতির আশংকা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের কুমিল্লা পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে ৩০টি। এসব পয়েন্টে দিনের বেলায় টহল জোরদারের পাশাপাশি রাতে সার্বক্ষণিক ৫ জন করে পুলিশ ফোর্স মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
দেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। স্বাভাবিক সময়ে এ রুটে প্রতিদিন ৫০ হাজার গাড়ি চলাচল করে। আর ঈদের সময় তা ৮০ হাজার পেরিয়ে যায়। একইভাবে ব্যস্ত থাকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কও। এর মাঝে ঈদের আগে অধিকাংশ যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে রাতের বেলায়। ফলে বেড়ে যায় এসব যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতিসহ নানা অপরাধের ঝুঁকি। এ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দু’টি মহাসড়কে ৪০টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট চিহ্নিত করেছে পুলিশ।
চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডি আই জি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ যেগুলো আমরা চিহ্নিত করেছি সেগুলো কয়েকটা বিষয়ের উপরে। এর আগে এ সমস্ত জায়গায় পরিবহন থেকে বা যাত্রীবাহী বাস আটকিয়ে ডাকাতি, ছিনতাই এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা পর্যন্ত ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট রয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র কুমিল্লা অংশে রয়েছে সবচেয়ে বেশি ১২টি পয়েন্ট। এছাড়া ফেনী অংশে ৯টি এবং চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও কুমিল্লা অংশে রয়েছে ৬টি পয়েন্ট। এর বাইরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে রয়েছে ৭টি ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট। চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার জেলা এ কে এম হাফিজ আকতার বলেন, ‘রাস্তায় এখন ইপিপিএন পুলিশ মোতায়েন আছে। সেক্ষেত্রে আমরা বলতে পারি আসন্ন ঈদে রাস্তায় কোন ডাকাতি হবে না।’এক্ষেত্রে পরিবহন মালিক এবং কাউন্টার ম্যানেজাররা বলছেন, ঈদের সময় ডাকাতিসহ নানা অপ্রীতিকর ঘটনার কারণে তাদের আতংকের মধ্যে থাকতে হয়।
বাংলাদেশ পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি কফিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ডাকাতি হলে মামলার কোন শেষ নেই। প্রাথমিকভাবে থানায় জিডি করতে হয় এবং তার আলামত হিসেবে গাড়ি রেখে দেয়া হয়।’ চট্টগ্রাম থেকে দেশের উত্তর এবং দক্ষিণাঞ্চলের ৬৪টি রুটে এবং কক্সবাজারের ১০টি রুটে যাত্রীবাহী বাস চলাচল করে।





















