ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হওয়ায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের চামড়া শিল্পে। চামড়ার সরবরাহ ঘাটতি মোকাবেলায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গরুর খামার গড়ে তোলার পরামর্শ চামড়া শিল্প মালিকদের। তাদের বক্তব্য, এতে একই সঙ্গে মিটবে মাংসের চাহিদা এবং সেই সঙ্গে তৈরি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ।
অন্যদিকে, সরকার বলছে, স্বল্প সুদে ঋণ ও ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের সুফল হিসেবে আগামী কয়েক বছরেই মাংস ও চামড়া উৎপাদনে স্বাবলম্বী হবে বাংলাদেশ।
আগের মতো ভারত থেকে আর গরু আসছে না। গত বছর থেকে কড়াকড়ি আরোপ করা হলেও, চলতি বছরের শুরু থেকে ভারত একেবারে বন্ধ করে দেয়া হয় বাংলাদেশে গরু রপ্তানি। ফলে দেশে বাড়তে থাকে গরুর মাংসের দাম। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের কোরবানিতে পশু সংকটের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ী ও চামড়া শিল্প সংশ্লিষ্টরা। আশঙ্কা করছেন, চামড়া শিল্পে কাঁচা চামড়ার যোগানেরও।
বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য বলছে, ক্রমেই বাড়ছে দেশে উৎপাদিত চামড়াজাত পণ্যের উৎপাদন ও রপ্তানি। রপ্তানি শিল্পে সরকারের অগ্রাধিকার খাতের মর্যাদাও পেয়েছে এ খাত। তবে ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হওয়ায় কাঁচা চামড়া সংকট এ খাতের প্রবৃদ্ধিকে পেছনে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তাদের পরামর্শ গ্রামে গ্রামে পশুর খামার গড়ে তুলতে পারলে, চামড়া ও আমিষের যোগানের পাশাপাশি বাড়বে কর্মসংস্থানও।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বলছে, এরই মধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন তারা। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আগ্রহী গরুর খামারিদের দেয়া হচ্ছে শতকরা ৫ ভাগ সুদে ঋণ সুবিধা। পাশাপাশি সরকারের ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’-ও এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেও মনে করেন প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।
সরকার বলছে, আগামী কয়েক বছরে মাছের মতো মাংস উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।





















