ভারতের পুলিশ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেসের সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীকে গ্রেপ্তার করেছে ।পুরা ভারত জুড়ে এ নিয়ে তোলপাড় চলছে। আজ শুক্রবার দুপুরে তাদের প্রেপ্তারের পর সরগরম হয়ে উঠেছে দেশটির রাজনীতি।
জানা গেছে, বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ‘গণতন্ত্র রক্ষা’র মিছিলের ডাক দিয়েছিল কংগ্রেস। যন্তর-মন্তর থেকে সংসদ ভবন পর্যন্ত মিছিলে নেতৃত্বে ছিলেন ড. মনমোহন সিং, সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী।
সোনিয়ার নেতৃত্বে সেই ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোতে থাকে মিছিল। তখনই আটক করা হয় সোনিয়া গাঁধী-সহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বকে।গ্রেফতার বরণ করার আগে এ দিন মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন সোনিয়া ।
নরেন্দ্র মোদী দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংস করে দিতে চাইছেন বলেও কংগ্রেস অভিযোগ করছে। সেই অভিযোগ তুলে ধরেই শুক্রবার ‘সেভ ডেমোক্র্যাসি মার্চ’-এর ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেই মিছিলই ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোতে শুরু অবশেষে পার্লামেন্ট স্ট্রিটে সোনিয়া গান্ধী মনমোহন সিংহ এবং আরও অনেককে গ্রেফতার করে মিছিল আটকানো হয়।
মোদী সরকার এবং আরএসএস-এর বিরুদ্ধে এ দিন তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সোনিয়া । তিনি বলেন, ‘‘যে নাগপুরের (আরএসএস সদর দফতর) অঙ্গুলিহেলনে মোদী সরকার নিয়ন্ত্রিত হয়, সেই নাগপুরকে বলছি, যা খুশি দোষারোপ করতে চান করুন, আমরা মাথা নত করব না।’’ সোনিয়া বলেন, ‘‘লড়াই কী ভাবে করতে হয় তা আমি আমার জীবন থেকেই শিখেছি।’’ পার্লামেন্ট স্ট্রিটের থানায় সোনিয়া গান্ধী , মনমোহন সিংহকে অবশ্য বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি। অল্প সময় পরই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। গাড়িতে তাঁরা সংসদের দিকে রওনা হন।
যন্তর-মন্তর থেকে সংসদ ভবনের দিকে মিছিল এগোতে শুরু করলেই তাদের বাধা দেয় পার্লামেন্ট স্ট্রিটের পুলিশ। এ সময় বাধা ভেঙে সামনের দিকে এগিয়ে যেতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
























