১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শেখ হাসিনার বিশ্বাসযোগ্য সাথী ছিলেন জেনারেল আবেদীন -কাদের

প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব সদ্যপ্রয়াত মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন সংকটের সময় শেখ হাসিনার সমস্যার ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি আরও বলেন, জেনারেল আবেদীন দেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালোবেসে, মুক্তিযুদ্ধকে ভালোবেসে জাতির পিতার পুষ্পিত আদর্শের পতাকাকে সমুন্নত রাখার জন্য কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাকে সত্যিকারের সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার জন্য আপসহীন কাণ্ডারি শেখ হাসিনা উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে অবিরাম যে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন, সেই সংগ্রামের বিশ্বাসযোগ্য সাথী ছিলেন জেনারেল আবেদীন। তাকে আমি দেখেছি নেত্রীর আশপাশে সব সংকটের সময়, ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে। সকল সমস্যা আবেদীন ছুটে আসতেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কর্মীদের এবং জনগণের সরাসরি সেতুবন্ধন রচনা করেছিলেন জেনারেল আবেদীন।

২২ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতিতে এক নাগরিক শোকসভায় ওবায়দুল কাদের একথা জানিয়েছেন। চুনতি মেহেরুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই শোকসভা হয়েছে।

প্রয়াত এই সেনা কর্মকর্তার ওপর প্রধানমন্ত্রীর নির্ভরতার কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নেত্রীর একটা কথা বারবার মনে পড়ে। নেত্রী বলতেন- আমাকে যদি কখনো না পাও, টেলিফোনে না পাও, আবেদীনের কাছে ম্যাসেজ দেবে। সময়মতো আবেদীন আমাকে জানাবে। সেটাই হয়েছিল বারবার। কোনো বার্তা দিতে হলে, নেত্রীকে না পেলে জেনালে আবেদীনের কাছে দিতাম। আজ আবেদীন নেই, কার ওপর বিশ্বাস করে নেত্রীর কাছে বার্তা দেব, জানি না।’

শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে হটানোর ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বাতাসে বারুদের গন্ধ, বাতাসে ষড়যন্ত্রের গন্ধ। আন্দোলন-নির্বাচনে যারা নেত্রীকে পরাজিত করতে পারেনি, তারা আজ ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। ষড়যন্ত্রের চোরাই পথে তারা আজ বঙ্গবন্ধু কন্যাকে ক্ষমতা থেকে হটাতে চায়। আজকের এই দুঃসময়ে, এই সংকটের ‍মুহূর্তে, এই চ্যালেঞ্জের মধ্যে জেনারেল আবেদীনের খুব প্রয়োজন ছিল নেত্রীর পাশে একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী হিসেবে।’

প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব সদ্যপ্রয়াত মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন সংকটের সময় শেখ হাসিনার সমস্যার ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি আরও বলেন, জেনারেল আবেদীন দেশকে এবং দেশের মানুষকে ভালোবেসে, মুক্তিযুদ্ধকে ভালোবেসে জাতির পিতার পুষ্পিত আদর্শের পতাকাকে সমুন্নত রাখার জন্য কাজ করে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাকে সত্যিকারের সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার জন্য আপসহীন কাণ্ডারি শেখ হাসিনা উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে অবিরাম যে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন, সেই সংগ্রামের বিশ্বাসযোগ্য সাথী ছিলেন জেনারেল আবেদীন। তাকে আমি দেখেছি নেত্রীর আশপাশে সব সংকটের সময়, ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে। সকল সমস্যা আবেদীন ছুটে আসতেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের কর্মীদের এবং জনগণের সরাসরি সেতুবন্ধন রচনা করেছিলেন জেনারেল আবেদীন।

২২ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতিতে এক নাগরিক শোকসভায় ওবায়দুল কাদের একথা জানিয়েছেন। চুনতি মেহেরুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই শোকসভা হয়েছে।

প্রয়াত এই সেনা কর্মকর্তার ওপর প্রধানমন্ত্রীর নির্ভরতার কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নেত্রীর একটা কথা বারবার মনে পড়ে। নেত্রী বলতেন- আমাকে যদি কখনো না পাও, টেলিফোনে না পাও, আবেদীনের কাছে ম্যাসেজ দেবে। সময়মতো আবেদীন আমাকে জানাবে। সেটাই হয়েছিল বারবার। কোনো বার্তা দিতে হলে, নেত্রীকে না পেলে জেনালে আবেদীনের কাছে দিতাম। আজ আবেদীন নেই, কার ওপর বিশ্বাস করে নেত্রীর কাছে বার্তা দেব, জানি না।’

শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে হটানোর ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বাতাসে বারুদের গন্ধ, বাতাসে ষড়যন্ত্রের গন্ধ। আন্দোলন-নির্বাচনে যারা নেত্রীকে পরাজিত করতে পারেনি, তারা আজ ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে। ষড়যন্ত্রের চোরাই পথে তারা আজ বঙ্গবন্ধু কন্যাকে ক্ষমতা থেকে হটাতে চায়। আজকের এই দুঃসময়ে, এই সংকটের ‍মুহূর্তে, এই চ্যালেঞ্জের মধ্যে জেনারেল আবেদীনের খুব প্রয়োজন ছিল নেত্রীর পাশে একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী হিসেবে।’

রাজনীতিবিদ না হয়েও মানুষের প্রতি আবেদীনের ভালোবাসার উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন সৈনিক হয়েও তিনি ছিলেন আলাদা একজন মানুষ। একজন জনপ্রতিনিধির চেয়েও জনগণের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল আরও গভীর এবং নিবিড়। সরাসরি রাজনীতি করেননি, কিন্তু একজন রাজনীতিকের যে গুণাবলী থাকা দরকার, তার চেয়ে অনেক বেশি কমিটমেন্টসম্পন্ন, তার চেয়ে অনেক বেশি গুণাবলীতে সমৃদ্ধ পরিপূর্ণ একজন মানুষ ছিলেন জেনারেল আবেদীন। একজন রাজনীতিকের জীবনে মানুষের ভালোবাসার চেয়ে বড় সম্পদ আর কিছু নেই।’

‘পেশাগত জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে জনগণের সঙ্গে অবাধে মিশে যেতে পারতেন। আমরা রাজনীতিকরা নির্বাচনের আগে মানুষকে কাছে টানি। প্রতিশ্রুতির রঙিন বেলুন উড়াই। মনে হয় কত আপন, কত জনদরদী ! নির্বাচন চলে গেলে আমরা সবকিছু অবলীলায় ভুলে যাই, প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে যাই। নির্বাচনের সময় মানুষের কাছে গিয়ে জনদরদীর মতো আমরা অভিনয় করি।’

একই অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জয়নুল আবেদীন জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শতভাগ বিশ্বস্ত ছিলেন। সেজন্য জননেত্রী যতবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন, জয়নুল আবেদিন ততবারই প্রধানমন্ত্রীর অফিসে, কখনো উপ-সামরিক সচিব এবং আমৃত্যু তিনি সামরিক সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সামরিক বাহিনীর মানুষকে তাদের পেশাগত কারণে অনেক সময় আলাদা থাকতে হয়। জয়নুল আবেদিন তার থেকে ব্যতিক্রমী ছিলেন। তাকে কখনো উচ্চস্বরে কথা বলতে, কারও সাথে রাগান্বিত হতে আমি তাকে দেখিনি। যারা কোনো কথা প্রধানমন্ত্রীকে সাহস করে বলতে পারতেন না, সেটি জয়নাল আবেদিনের মাধ্যমে বলতেন। তিনি এত সুন্দরভাবে গুছিয়ে বলতেন, তখন সেই কাজটির প্রতি নেত্রীও সমর্থন দিতেন।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-৮ আসনে যে উপনির্বাচন হয়েছে সেই নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল দেখতে পেলাম বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন সেখানে নাকি যারা বিদেশ থাকেন প্রবাসী ও মৃত ব্যক্তিরাও ভোট দিয়েছেন।’

ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘চট্টগ্রাম-৮ আসনের মহানগর অংশে ভোটারের সংখ্যা প্রায় পৌঁনে ৪ লাখ। তারমধ্যে মোসলেম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী মাত্র ৩৬ হাজার ভোট পেয়েছেন। যদি ভোটকেন্দ্র দখল হতো এবং তার ভাষ্য অনুযায়ী এই ধরণের ভোটাররা ভোট দিত তাহলে মোছলেম উদ্দিন আহমেদ ৩৬ হাজার নয়, ১ থেকে ২ লাখ ভোট পেত। এখানে পরিপূর্ণ, সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে মোছলেম উদ্দিন আহমেদ বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। পরিপূর্ণ সুষ্ঠু ভোট হয়েছে বলেই ভোট প্রদানের হার ২৫ শতাংশের নিচে, অন্যথায় তো ভোটের হার আরও বেশি হত। এই ধরনের মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়।’

লোহাগাড়ায় এসে শরুতেই মরহুমের কবর জিয়ারত করান এরপর জনসভায় যোগদেন।

প্রয়াতের বড় ভাই ইসমাঈল হোসেন মানিকের সভাপতিত্বে শোকসভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান, ত্রাণ ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাংসদ কানিজ ফাতেমা, সাইমুম সরওয়ার কমল ও আশেক উল্লাহ রফিক এবং স্থানীয় সাংসদ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ