ভূমিকম্পে চট্টগ্রামের সিদ্দিক মার্কেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন সংসদ সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু। বুধবার রাতে নগরীর রেয়াজউদ্দিন বাজারে অবস্হিত ভুমিকম্প ক্ষতিগ্রস্থ সিদ্দিক মার্কেট ( আলমাস শপিং ) ছাদের উপরে গিয়ে পরিদর্শন শেষে তিনি এলাকার ব্যবসায়ী ও জনগণকে আশ্বস্থ করে তিনি একথা বলেন।
তিনি আরো বলেন এই মার্কেটে কোন সমস্য নেই। এর আগে পরিদর্শনে আসেন, মাননীয় মেয়র মহোদয় জনাব আ জ ম নাছিরউদ্দিন , ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসন।
ভবন হেলে পড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বি এম ( মুক্তিযোদ্ধা ) সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান, ‘ভবনটি আগে থেকেই এই অবস্হায় ছিল বৃষ্টির পানি যাতে দুই ভবনের মাঝখানে না পড়ে তাই আগে থেকেই দুই ভবনের ছাদ একসাথে করা ছিল।’
এর আগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বুধবার রাত ৭ টা ৫৫ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। প্রাথমিক রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬.৯। ঢাকা থেকে ৪৬০ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশ-ভারত- মায়ানমার সীমান্তে ভূমিকম্পের কেন্দ্র। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ১২০ কিলোমিটার। উৎপত্তিস্থলে এর মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.২।
বেশ কয়েক সেকেন্ডজুড়ে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এ সময় ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। অনেক এলাকায় আতঙ্কে লোকজন রাস্তায় নেমে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের পর থেকে বিভিন্ন স্থানে ফোনের নেটওয়ার্ক বন্ধ দেখা যায়।
থেমে থেমে দুই বার ভূমিকম্প অনুভুত হয় সারাদেশে। এদিকে চলতি মাসের ৫ তারিখেও দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়।
এর মধ্যে হালিশহর, সাগরিকা শিল্প এলাকা, ননন্দ কানন, তামাককুন্ডি লেইন, জিইসি ও চান্দঁগাওতে ছয়টি ভবন হেলে পড়ার খবর নিশ্চিত করে ফায়ার বিগ্রেড। হালিশহর বিব্লকে একটি সাততলা ভবন পাশের পাচতলা ভবনের সাথে লেগে গেছে। নগরীর লাভলেইনে ৩ তলার রোকেয়া ভবন ও পাশের আর একটি ভবনের সাথে লেগে গেছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ইকবাল বাহার বলেছেন, কয়েকটি ভবন হেলে পড়ার খবর পাওয়া গেলেও এখনো বড় ধরনের হতাহতের কোন খবর আসেনি।
























