শিক্ষক নিয়োগে পরিচালনা পর্ষদের ক্ষমতা রহিত করে পরীক্ষা নিয়ে মেধার ভিত্তিতে তালিকা তৈরি করে বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিয়োগে নতুন নিয়ম করে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার শিক্ষা সচিব স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়, পরিচালনা পর্যদের অনুমোদন নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষক নিয়োগের চাদিহাপত্র উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠাবে। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইউএনও সব প্রতিষ্ঠানের চাহিদাপত্র একীভূত করে তা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শিক্ষকদের চাহিদাপত্র এনটিআরসিতে জমা দেবেন। এনটিআরসিএ প্রতি বছর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা নিয়ে চাহিদা অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক জাতীয়, বিভাগ, জেলা, উপজেলা এবং উপজেলাওয়ারী মেধাক্রম করে ফল ঘোষণা করবে। শিক্ষকদের চাহিদা অনুযায়ী এনটিআরসিএ মেধানুযায়ী উপজেলাভিত্তিক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে প্রার্থীর তালিকা করবে।
উপজেলায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে জেলাভিত্তিক মেধা তালিকা এবং তাতেও প্রার্থী না মিললে বিভাগীয় মেধা তালিকাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, উপজেলা থেকে বিভাগীয় মেধা তালিকায়ও যদি যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে জাতীয় মেধা তালিকা বিবেচনা করা হবে। বিভাগীয় সদর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রার্থী অগ্রাধিকার পাবেন। বিভাগীয় তালিকায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে জাতীয় মেধা তালিকা থেকে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে জাতীয় মেধা তালিকা অনুসরণ করা হবে। কর্মরত কোনো শিক্ষক যদি অন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পেতে চান তবে তাকেও অন্য আবেদনকারীদের মতই মেধাক্রমের ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে।
পরিপত্র অনুযায়ী, এর আগে যারা মেধা তালিকা ছাড়াই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের নিবন্ধন সনদে উল্লিখিত ঐচ্ছিক বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে। এর আগে গত ২১ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা সংশোধন করে।যার ফলে শিক্ষক নিয়োগে পরিচালনা পর্যদের ক্ষমতা খর্ব হয়ে যায়। বিধিমালা সংশোধন করে গত ১১ নভেম্বর থেকে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ রাখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন পরিপত্র জারি করে শিক্ষক নিয়োগ বন্ধের আদেশটি বাতিল করা হয়েছে
























