২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বর্তমানে বিশ্বের ১১৮টি দেশে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশের পাট পণ্য

 

বিশ্বের ১১৮টি দেশে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশের পাট পণ্য। এরইমধ্যে ১৩৫টি ডিজাইনের বহুমুখী পাট পণ্য উদ্ভাবন করা হয়েছে।

যদিও একসময় দেশের রফতানির ৯০ শতাংশ আয় হতো পাট পণ্য থেকে এখন সেই স্থানটি দখল করেছে তৈরি পোশাক। তারপরও পাঠ পণ্য তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পেতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সরেজমিনে রাজধানীর বিজয় সরণীতে মনিপুরি পাড়ায় অবস্থিত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশোন সেন্টারে গিয়ে পাট পণ্যের নানা বাহার দেখা যায়। এখানে পাট ব্যবহার করে তৈরি করছে বিভিন্ন ধরণের দৃষ্টিনন্দন বস্তু যার মধ্যে আকর্ষণীয় হচ্ছে পাটের তৈরি জামদানি শাড়ি।

এখানে প্রবেশের পর আপনার নজর চলে যাবে পাট নিয়ে তৈরি বিভিন্ন পণ্যের উপর। পাটের তৈরি ব্যাগ থেকে শুরু করে পাটের তৈরি জুতা, কাপড়, শাড়ি, মেডিকেল বেড, পার্সেল বক্স, মেটরেক্স, টাইলস, টিস্যু পেপার, পাটের ব্যাগ, সুতা, হার্ডবোর্ড, খেলনা, পোশাক, শাড়ি, জুতা, ব্যাগ, টেবিল ম্যাট, পাটের তৈরি কাগজ, পাটের ভিজিটিং কার্ড, র‌্যাপিং শিট, দাওয়াতপত্র, অফিস আইটেম, ফাইল ফোল্ডার, ব্যাগ, কার্ড হোল্ডার, পেপার ফোল্ডার, ফাইলবক্স, ডেক্স ক্যালেন্ডার, স্কুলব্যাগ, ল্যাপটপ ব্যাগ, লেডিস পার্চ, শপিং ব্যাগ, মোবাইল-পাসপোর্ট ব্যাগ, ভ্যানিটি ব্যাগ, গ্রোসারি ব্যাগ, ট্রাভেল ব্যাগ, স্যুটকেস, ব্রিফকেস, মানিব্যাগসহ নোটবুক, ফটো অ্যালবাম, ল্যাম্প শেড, পুতুল, দৃষ্টিনন্দন শোপিসসহ শতাধিক সামগ্রী যা সৌখিন মন যেন তৃপ্ত হয়ে যাবে।

ব্যাপারে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশোন সেন্টারের পরিচালক মাইনুল হক বিডিমর্নিংকে জানান, পৃথিবীজুড়ে যে পরিবেশ সচেতনা সৃষ্টি হয়েছে সেই হিসেব অনুযায়ী পাটের উচিত রাজত্ব করা। কিন্তু আমরা তৃতীয় বিশের দেশ হওয়ায় পাট তার আশানুরুপ জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত পাট মানুষের জন্য।

আপনাদের এইখানে পাটের এত বাহারি পণ্য থাকলেও তা জনগণের কাছে প্রায়ই অজানা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মূলত এই কথাটি সত্যি কারণ আমাদের তেমন প্রচারণা নাই। এখানে মূলত আমদের বিক্রি মুখ্য উদ্দেশ্য নয়, মূলত বিদেশি ক্রেতারা যাতে একসাথে এই পণ্যগুলো দেখতে পারে এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।

ল্লেখ্য, ৯১ সালে বিএনপি ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের পরামর্শে ৯৩ সাল থেকে পাটকলগুলো বন্ধের কাজ শুরু করে। ওই সময় পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮৭টি পাটকলের মধ্যে ৬০টি বিক্রি করে দেয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ