কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুর প্রথম ময়নাতদন্তে ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি। পাওয়া যায়নি মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ। আজ এ কথা জানিয়েছেন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা।
উল্লেখ্য গত ২০শে মার্চ টিউশনি করতেই বের হয়েছিলেন তনু। রাত আটটায় বাসায় ফেরার কথা থাকলেও ১০টা নাগাদও যখন ফেরেনি তখন পিতা ইয়ার হোসেন অফিস থেকে ফেরার পর মেয়েকে খুঁজতে বের হন। বাড়ি থেকে কিছু দূরে যেতেই পেয়ে যান মেয়ের এক পাটি জুতো, এক গোছা চুল, মোবাইল ফোন ও সবশেষে কালভার্টের নিচে মেয়ের মৃতদেহ। পরদিন তিনি কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নামে একটি হত্যা মামলা করেন।
ঘটনার ১০দিন পরেও পুলিশ হত্যায় জড়িত কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি। এমন প্রেক্ষাপটে তার লাশ আবার উত্তোলন করা হয়েছিল।
এসময় মিস তনুর বাবা ইয়ার হোসেন ছাড়াও কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লুৎফন্নাহার উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সোহাগী জাহান তনুর মৃতদেহের প্রথম দফা ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা পরীক্ষা করা হলেও, তার প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেত পারেনি পুলিশ।
























