শহীদদের সংখ্যা নিয়ে মন্তব্যের কারণে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে এক আইনজীবীর করা রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা আমলে নিয়ে গত ২৫ জানুয়ারি সমন জারি করেন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত।গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জাকির হোসেন টিপু বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে ১০ এপ্রিল আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের আবেদনে বলা হয়, খালেদা জিয়া অসুস্থ। হাত-পায়ে ব্যথা। স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে তাঁর অসুবিধা হয়। তবে মামলার বাদী মমতাজ উদ্দিন মেহেদীর আইনজীবীরা খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আদালতকে বলেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে খালেদা জিয়া আদালতে আসতে পারেননি। তবে পরবর্তী তারিখে অবশ্যই তিনি আদালতে হাজির হবেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক মামলার পরবর্তী তারিখে আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া আদালত বাদীর আবেদনটি নথির সঙ্গে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন। বেলা ১১টা ৫ মিনিটে শুনানি শুরু হওয়ার ১০ মিনিটের মধ্যে তা শেষ হয়। এ ছাড়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক হারুন অর রশীদকে জেরা অব্যাহত রয়েছে। আগামী ১০ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। খালেদা জিয়াসহ চারজন এই মামলার আসামি।
আর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে ২৪ মার্চ। মামলা দুটি ঢাকার বিশেষ জজ-৩ আদালতে বিচারাধীন। এই দুটি মামলায় গতকাল খালেদা জিয়ার পক্ষে সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।
তবে আদালতে হাজিরা নিয়ে খালেদা জিয়ার নিজ মুখ থেকে কোন বক্তব্য আসেনি ।
























