ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ড. শাহিনুর রহমান পন্থীদের হামলায় ভিসিপন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাত কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। বেলা সাড়ে দশটার দিকে প্রশাসন ভবনে তাদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর চালায় প্রো-ভিসি পন্থীরা। গুরুতর আহতদের মধ্যে তিন জনকে কুষ্টিয়া সরকারী মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী ও প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরাম প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ডাক দেয়। মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে ভিসি ও প্রো-ভিসিপন্থীদের মাঝে উত্তেজন বিরাজ করতে থাকে। প্রো-ভিসিপন্থী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রশাসন ভবনের পশ্চিমে ঝাল চত্তরে অবস্থান নেয়। এসময় তাদের সাথে শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান গ্রুপের কর্মীরা যোগ দেয়। সকাল সাড়ে দশাটার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে ভিসিপন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদের কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালায় প্রো-ভিসিপন্থীরা। হামলায় প্রো-ভিসিপন্থী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর, হান্নান, আলমগীর, গিয়াস, মাখন, রুহুল, জিল্লু রাশেদসহ প্রায় ১৫-২০জন অংশ নেয়। এতে ভিসিপন্থী প্রায় সাত জন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন মীর মোরশেদুর রহমান, আনোয়ার, আইয়ুব, হারুন, মনিরুল, রেজাউল ইসলাম রেজাসহ ভিসিপন্থী ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাত কর্মকর্তা। এদের মধ্যে মোরশেদুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে কুষ্টিয়ায় হাসসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই ভিসিপন্থীরা অনুষদ ভবনের সামনে প্রো-ভিসির পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করে। অপরদিকে প্রশাসন ভবনের সামনে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান’ ব্যানারে সজিব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মকর্তাদের উপর অতর্কিত হামলার পেছনে প্রো-ভিসি শাহিনের নির্দেশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন ও প্রগতিশীল শিক্ষকরা।
এবিষয়ে প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পরিবেশ এখন শান্ত আছে। আমরা ঘটনার তদন্ত করছি।’
























