১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইবিতে প্রো-ভিসি পন্থীদের হামলায় সহকারী রেজিস্ট্রারসহ আহত ৭

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ড. শাহিনুর রহমান পন্থীদের হামলায় ভিসিপন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাত কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। বেলা সাড়ে দশটার দিকে প্রশাসন ভবনে তাদের ওপর হামলা ও ভাঙচুর চালায় প্রো-ভিসি পন্থীরা। গুরুতর আহতদের মধ্যে তিন জনকে কুষ্টিয়া সরকারী মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী ও প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরাম প্রো-ভিসির বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ডাক দেয়। মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে ভিসি ও প্রো-ভিসিপন্থীদের মাঝে উত্তেজন বিরাজ করতে থাকে। প্রো-ভিসিপন্থী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রশাসন ভবনের পশ্চিমে ঝাল চত্তরে অবস্থান নেয়। এসময় তাদের সাথে শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান গ্রুপের কর্মীরা যোগ দেয়। সকাল সাড়ে দশাটার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে ভিসিপন্থী বঙ্গবন্ধু পরিষদের কর্মকর্তাদের উপর হামলা চালায় প্রো-ভিসিপন্থীরা। হামলায় প্রো-ভিসিপন্থী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর, হান্নান, আলমগীর, গিয়াস, মাখন, রুহুল, জিল্লু রাশেদসহ প্রায় ১৫-২০জন অংশ নেয়। এতে ভিসিপন্থী প্রায় সাত জন কর্মকর্তা আহত হয়েছেন।

আহতরা হলেন মীর মোরশেদুর রহমান, আনোয়ার, আইয়ুব, হারুন, মনিরুল, রেজাউল ইসলাম রেজাসহ ভিসিপন্থী ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাত কর্মকর্তা। এদের মধ্যে মোরশেদুর রহমানের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করে কুষ্টিয়ায় হাসসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই ভিসিপন্থীরা অনুষদ ভবনের সামনে প্রো-ভিসির পদত্যাগ দাবিতে মানববন্ধন করে। অপরদিকে প্রশাসন ভবনের সামনে ‘মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান’ ব্যানারে সজিব ওয়াজেদ জয়কে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। কর্মকর্তাদের উপর অতর্কিত হামলার পেছনে প্রো-ভিসি শাহিনের নির্দেশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামীপন্থী শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. মাহবুবুল আরফিন ও প্রগতিশীল শিক্ষকরা।

এবিষয়ে প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পরিবেশ এখন শান্ত আছে। আমরা ঘটনার তদন্ত করছি।’

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ