ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছেন মহাকাশচারীরা

অ্যান্ড্রু স্ট্যানটনের সিনেমা ওয়াল-ইর গল্প নয়। এটা ঘোর বাস্তব। মহাকাশে গাছ লাগানোর কল্পবিজ্ঞান কাহিনীকে পিছনে ফেলে আসার দিন আজ। আর কিছুক্ষণে ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছেন মহাকাশচারীরা। সেদিক থেকে আজ এক ঐতিহাসিক রাত। সোমবার রাতেই অর্থাৎ মহাকাশের নিজস্ব সময় অনুযায়ী মঙ্গলবারই প্রথম স্পেশ স্টেশনে বড় হওয়া লেটুস গাছ দিয়ে প্রাতরাশ সারবেন মহাকাশ গবেষকরা। গত জুলাই থেকে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে জল দিয়ে পরিচর্যা করে লেটুস গাছটিকে আস্তে আস্তে বড় করেছেন বিজ্ঞানীরা। এদিনই সেটির পাতা প্রথম খাওয়া হবে।

মহাকাশ গবেষকদের মতে, এদিনের এই ইতিহাসে স্থান পাবে। কারণ, দুরের গ্রহে পারি দিতে মহাকাশচারীরা খাদ্য সমস্যায় ভোগেন। সেই সময় তাদের নিজেদের তৈরি বা বড় করা গাছের পাতা খেয়ে দিন কাটাতে পারবেন তারা। এদিনের গবেষণা সফল হলে আগামীদিনে আরও নতুন নতুন গাছ লাগানোর পরিকল্পনা করছেন বিজ্ঞানীরা।

নাসার উদ্ভিদ গবেষক দলের মতে, স্পেশস্টেশনে বৃক্ষরোপণ ও তাদের সময় দেওয়া খানিকটা একঘেয়েমি কাটাতে সাহায্য করবে। ফলে নতুন এই কাজে ডুব দিয়ে মহাকাশচারীরা আনন্দই পাবেন বলে তাদের অনুমান। অর্থাৎ, দূরবর্তী গ্রহে পারি দিতে হলে আর চিন্তা নেই। গাছ লাগান ও গাছের পরিচর্যা করে সময় কাটান। পরে সেটিকে খাবারের কাজে ব্যবহারও করুন।

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ