বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল ৫টা ১৯ মিনিট ২৪ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হয়ে সকাল ১০টা ৩৪ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে শেষ হবে। কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে সকাল ৬টা ১৬ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে এবং সকাল ৯টা ৩৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শেষ হবে।[ad id=”28167″]
আইএসপিআরের দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সর্বোচ্চ গ্রহণটি ঘটবে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টা ৫৭ মিনিট ৬ সেকেন্ডে যা স্থায়ী হবে ৪ মিনিট ১৪.১ সেকেন্ড।
বুধবার গ্রহণযুক্ত অবস্থায় বাংলাদেশে সূর্যোদয় ঘটবে। অর্থাৎ সূর্যোদয়ের পর থেকেই আংশিক গ্রহণটি দেখা যাবে এবং তা সর্বোচ্চ ৪৫ মিনিট স্থায়ী হবে। ঢাকায় স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ১২ মিনিটে সূর্য ওঠার পর থেকে গ্রহণ শুরু হয়ে ৭টা ২১ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হবে। আংশিক সূর্যগ্রহণের সর্বোচ্চ পর্যায়টি ঘটবে সকাল ৬টা ৩৮ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে।
ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের পশ্চিম দিকে ভারত মহাসাগরে আগামী ৯ মার্চ স্থানীয় মান সময় সকাল ৬টা ৮ মিনিট ৯ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের গুয়াম দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে স্থানীয় মান সময় বিকাল ৩টা ৮ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে শেষ হবে।
ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের পশ্চিম দিকে ভারত মহাসাগরে স্থানীয় মান সময় সকাল ৬টা ৯ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের স্যান লুইস শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে স্থানীয় মান সময় দুপুর ১টা ১৫ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে শেষ হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের গুয়াম দ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে স্থানীয় মান সময় সকাল ১১ টা ৫২ মিনিট ১২ সেকেন্ডে সর্বোচ্চ গ্রহণ ঘটবে।বুধবারের পূর্ণ সূর্যগ্রহণ
বাংলাদেশ ছাড়াও আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়ার উত্তর ও পূর্বাঞ্চল, হাওয়াই ও আলাস্কা থেকে।
বাংলাদেশ থেকে আবার ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।
শুধুমাত্র এ স্থানেই পূর্ণ গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ১.০৪৪ এবং এর স্থায়িত্ব হবে ৪ মিনিট ১৪.১ সেকেন্ড।
























