১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ নিয়ে ১৫২৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পযর্ন্ত যত তর্ক-বিতর্ক।

আজ ভারতীয় উচ্চ আদোলতের রায়ে মধ্য দিয়ে অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দিরের এক বির্তকিত গল্পের অবসান।
নিচের দেখুন ১৫২৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পযর্ন্ত যত তর্ক-বির্তক।
১৫২৮ সাল:
অযোধ্যায় তৈরি হয় বাবরি মসজিদ। মুঘল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মীর বাকি বাবরি মসজিদ তৈরি করেন। হিন্দুধর্মের অন্যতম দেবতা রামচন্দ্র যেখানে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সেখানে মসজিদটি তৈরি করা হয়েছিল- হিন্দুদের মতে
১৮৫৩-১৮৫৯ সাল:
হিন্দুদের একটা অংশ নির্মোহীরা দাবি করে সম্রাট বাবরের সময়ে এখানে থাকা হিন্দু মন্দির ধ্বংস করে মসজিদ তৈরি করা হয়। এ দাবি ওঠে মসজিদ তৈরির প্রায় ২৩০ বছর পর। এতে আওয়াধের নবাব ওয়াজিদ আলি শাহর সময়ে ধর্মকে কেন্দ্র করে প্রথামবারের মত সহিংসতার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। তারপর ততকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক প্রশাসন দুই ধর্মের জন্য উপাসনার জায়গা আলাদা করে বেষ্টনী তৈরি করে দিয়েছিলেন। বেষ্টনীর ভেতরের চত্বর মুসলিমদের জন্য এবং বাইরের চত্বর হিন্দুদের জন্য নির্ধারিত হয়।
১৮৮৫ সাল:
মহন্ত রঘুবীর দাস প্রথম মামলা করেন। আবেদনে মসজিদের বাইরে একটি শামিয়ানা খাটানো ও মঞ্চ তৈরির কথা বলেন। যদিও সেই আবেদন ফৈজাবাদ জেলা আদালত খারিজ করে দেয়।
১৯৪৯-১৯৫০ সাল:
মসজিদের ভেতর ইশ্বর রামের মূর্তি দেখা যায় বলে হিন্দুরা দাবী করেন। তখন তাদের বিরুদ্ধে মূর্তিগুলো রাখার অভিযোগ করে মুসলিমরা প্রতিবাদ জানায় এবং দুই পক্ষই দেওয়ানি মামলা করেন। এই মামালার প্রেক্ষিতে সরকার ঐ চত্বরকে (ভেতরের চত্বর) বিতর্কিত জায়গা বলে ঘোষণা দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। সেই থেকে আজ পর্যন্ত মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ করে আসছে শহরের মিউনিসিপাল বোর্ড, আর মামলাটি ঝুলে থাকে বহুদিন।
১৯৫৯ সাল:
‘নির্মোহ আখড়া’ মসজিদের পুরা মালিকানা দায়ের করে মামলা করে। এর আগে নির্মোহ আখড়ার মহান্ত রঘুবির দাস ১৮৮৫ সালে এখানে মসজিদের পাশে মন্দির বানানোর অনুমতি চেয়ে মামলা করেছিল, কিন্তু তাতে তাদের দাবী নাকচ করে দেয়া হয়েছিল।
নির্মোহ আখড়া খুব ধনী একটি সংগঠন/ সম্প্রদায় যা ভারতে প্রচুর মন্দির এবং মঠের মালিক।
১৯৬১ সাল:
মুসলিম সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড পুরা প্রপার্টির মালিকানা দাবী করে মসজিদ থেকে মূর্তি সরিয়ে ফেলার আর মসজিদের কাস্টোডিয়ানশিপ ওয়াকফ বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করার দাবী নিয়ে মামলা করে। কোন রায় ছাড়া সেই মামলাও ঝুলে থাকে।
১৯৮৪: সাল:
ভিএইচপি (বিশ্ব হিন্দু পরিষদ) নেতৃত্বে রামের জন্মস্থান উদ্ধার এবং তার সম্মানের একটি মন্দির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করেন হিন্দুরা। এতে তৎকালীন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি (পরবর্তীতে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ঐ প্রচারণরা নেতৃত্ব নেন।
১৯৮৬ সাল:
জেলার বিচারক আদেশ দেন যেন বিতর্কিত মসজিদের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়ে হিন্দুদের সেখানে উপাসনার সুযোগ দেয়া হয়। মুসলিমরা এর প্রতিবাদে বাবরি মসজিদ অ্যাকশন কমিটি গঠন করে।
১৯৮৯ সাল:
বিতর্কিত মসজিদ সংলগ্ন জায়গায় রাম মন্দিরের ভিত্তি স্থাপান করে নতুন প্রচারণা শুরু করেন ভিএইচপি।বিচারপতি দেবকী নন্দন আগরওয়াল যিনি ভিএইচপি-র প্রাক্তন সহ- সভাপতি, তিনি বাবরি মসজিদ অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যেতে আদালতে আবেদন করেন। ফলে যে আবেদনগুলি পড়েছিল তা হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করেন ফৈজাবাদ আদালত।
১৯৯০ সাল:
ভিএইচপি স্বেচ্ছ্বাসেবকরা মসজিদ ধ্বংসের চেষ্টা করে। তবে আংশিক ক্ষতি সাধনও করেন। সেইসময়ে প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রশেখর হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করলেও পরে বিফল হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে লালকৃষ্ণ আদবানি গুজরাতের সোমনাথ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত বিতর্কিত রথযাত্রা করে রাম মন্দিরের গুরুত্ব বোঝানোর অপচেষ্টা করেন।
১৯৯১সাল:
১৯৯১ সালে অযোধ্যা যে রাজ্যে অবস্থিত, সেই উত্তর প্রদেশে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। এবছর করসেবক ও স্বেচ্ছ্বাসেবকরা মিলে মন্দির মুভমেন্টকে আরও এগিয়ে নিয়ে যান।
১৯৯২ সাল:
এই বছর ৬ ডিসেম্বর ভেঙে দেয় বাবরি মসজিদটি করসেবকরা। এতে সমর্থন ছিল শিবসেনা, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বিজেপির। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দাঙ্গা বাঁধে। এতে ২ হাজার মানুষ প্রাণ হারান। ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরসীমা রাওয়ের সরকার বিচারপতি এমএস লিবারহানের নেতৃত্বে কমিটি তৈরি করে অনুসন্ধানের জন্য।
১৯৯৩ সাল:
অযোধ্যার জমি অধিগ্রহণ করার জন্য বিতর্কিত এলাকার অধিগ্রহণ আইন পাস হয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টে এই আইনের বিভিন্ন বিষয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রিট পিটিশন জমা পড়ে। সংবিধানের ১৩৯ এ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে ওই রিট পিটিশন বদলি করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট, যা এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন।
১৯৯৪ সাল:
সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক ইসমাইল ফারুকি মামলায় রায়ে জানায়, মসজিদ ইসলামের অন্তর্গত ছিল না।
১৯৯৮- ২০০১সাল:
১৯৯৮সালে প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ির অধীনে জোট সরকার গঠন করে বিজেপি। তারা ক্ষমতায় আসার পরে মসজিদ ধ্বংসের বার্ষিকীতে আবার উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঐ স্থানে আবারো মন্দির তৈরির দাবি তোলে ভিএইচপি।
২০০২ সাল:
এই সালের প্রথম মাসে নিজের কার্যালয়ে অযোধ্যা সেল তৈরি করেন প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ি। সিনিয়র কর্মকর্তা সাবেক সেনা কর্মকর্তা শত্রুঘ্ন সিং চৌহানকে নিয়োগ দেয়া হয় হিন্দু ও মুসলিম নেতাদের সাথে আলোচনার জন্য। পরে ফেব্রুয়ারিতে উত্তর প্রদেশের নির্বাচনের তফসিলে মন্দির তৈরির বিষয়টি বাদ দেয় বিজেপি। ভিএইচপি ১৫ই মার্চের মধ্যে মন্দির নির্মানকাজ শুরু করার ঘোষণা দেয়। শত শত স্বেস্বচ্ছাসেবক বিতর্কিত স্থানে জড়ো হয়। অযোধ্যা থেকে ফিরতে থাকা হিন্দু অ্যাক্টিভিস্টদের বহনকারী গুজরাটের SABARMATI EXPRESS একটি ট্রেনে হামলার ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন মারা যায়। মার্চ দিকে ট্রেন হামলার জের ধরে গুজরাটে হওয়া দাঙ্গায় ১ হাজার থেকে ২ হাজার মানুষ মারা যায়। এরপর এপ্রিলে ধর্মীয়ভাবে পবিত্র হিসেবে বিবেচিত জায়গাটির মালিকানার দাবিদার কারা, তা নির্ধারণ করতে তিনজন হাইকোর্ট বিচারক শুনানি শুরু করেন।
২০০৩ সাল:
জানুয়ারি মাসে ঐ স্থানে ইশ্বর রামের মন্দিরের নিদর্শন আছে কিনা, তা যাচাই করতে আদালতের নির্দেশে নৃতত্ববিদরা জরিপ শুরু করেন।
অগাস্টে জরিপে প্রকাশিত হয় যে মসজিদের নিচে মন্দিরের চিহ্ন রয়েছে, কিন্তু মুসলিমরা এই দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। হিন্দু অ্যাক্টিভিস্ট রামচন্দ্র পরমহংসের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ি বলেন তিনি মৃত ব্যক্তির আশা পূরণ করবেন এবং অযোধ্যায় মন্দির তৈরি করবেন। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আদালতের সিদ্ধান্তে এবং আলোচনার মাধ্যমে এই দ্বন্দ্বের সমাধান হবে। এরপর সেপ্টেম্বরে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পেছনে উস্কানি দেয়ায় সাত জন হিন্দু নেতাকে বিচারের আওতায় আনা উচিত বলে রুল জারি করে একটি আদালত। তবে সেসময়কার উপ-প্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আদভানির (যিনি ১৯৯২ সালে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন) বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।
২০০৪ সাল:
উত্তর প্রদেশের একটি আদালত রায় দেয় যে মসজিদ ধ্বংস করার সাথে সম্পৃক্ত না থাকায় মি. আদভানিকে রেহাই দিয়ে আদালতের জারি করা পূর্ববর্তী আদেশ পুনর্যাচাই করা উচিত।
২০০৫ সাল:
সন্দেহভাজন ইসলামি জঙ্গীরা বিস্ফোরক ভর্তি একটি জিপ দিয়ে বিতর্কিত স্থানটিতে হামলা চালিয়ে সেখানকার চত্বরের দেয়ালে গর্ত তৈরি করে। নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনী’র হাতে নিহত হয় ছয়জন, যাদের মধ্যে পাঁচজনই জঙ্গি বলে দাবি করে নিরাপত্তা রক্ষীরা।
২০০৯ সাল:
জুনে মসজিদ ধ্বংস হওয়া সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে থাকা লিবারহান কমিশন তদন্ত শুরু করার ১৭ বছর পর তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
নভেম্বরে প্রকাশিত লিবারহান কমিশনের প্রতিবেদনে মসজিদ ধ্বংসের পেছনে বিজেপি’র শীর্ষ রাজনীতিবিদদের ভূমিকার বিষয়টি উল্লেখ করা হয় এবং এনিয়ে সংসদে হট্টগোল হয়।
২০১০ সাল:
এলাহাবাদ হাইকোর্ট রায় দেয় যে স্থানটির নিয়ন্ত্রণ ভাগাভাগি করে দেয়া উচিত। কোর্টের রায় অনুযায়ী এক-তৃতীয়াংশের নিয়ন্ত্রণ মুসলিমদের, এক-তৃতীয়াংশ হিন্দুদের এবং বাকি অংশ ‘নির্মোহী আখারা’ গোষ্ঠীর কাছে দেয়া উচিত। যেই অংশটি বিতর্কের কেন্দ্র, যেখানে মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছিল, তার নিয়ন্ত্রণ দেয়া হয় হিন্দুদের কাছে। একজন মুসলিম আইনজীবী বলেন যে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।
২০১১ সাল:
২০১০ সালের রায়ের বিরুদ্ধে হিন্দু ও মুসলিম দুই পক্ষই আপিল করায় হাইকোর্টের পূর্ববর্তী রায় বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট ।
২০১৯ সাল:
৮ জানুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ ঘোষণা করে। । এ বেঞ্চের অন্য বিচারপতিরা হলেন বিচারপতি এসএ বোবদে, ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ এবং এস আব্দুল নাজির।
১০ জানুয়ারি- বিচারপতি ইউইউ ললিত নিজেকে মামলা থেকে সরিয়ে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে বলেন, ২৯ জানুয়ারি নতুন বেঞ্চের সামনে মামলার শুনানি শুরু করতে।
২৫ জানুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট পাঁচ সদস্যের নতুন সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠন করে। নতুন বেঞ্চের সদস্যরা হলেন বিচারপতি রঞ্জন গগৈ, বিচারপতি এসএ বোবদে, ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, অশোক ভূষণ এবং এস এ নাজির।
২৯ জানুয়ারি- কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টে বিতর্কিত অংশ বাদ দিয়ে বাকি ৬৭ একর জমি তাদের আদত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেবার আবেদন জানায়।
২০ ফেব্রুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট জানায়, মামলার শুনানি শুরু হবে ২৬ জানুয়ারি থেকে।
২৬ ফেব্রুয়ারি- সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতার কথা বলে, আদালত নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারীদের কাজে লাগানো হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত নেবার জন্য ৫ মার্চ দিন স্থির হয়।
৬ মার্চ- জমি বিতর্ক মধ্যস্থতার মাধ্যমে মীমাংসা করা হবে কিনা সে সম্পর্কিত রায় দান মুলতুবি রাখে সুপ্রিম কোর্ট।
৯ এপ্রিল- নির্মোহী আখড়া কেন্দ্রের জমি ফেরানোর আবেদনের বিরোধিতা করে।
৯ মে- তিন সদস্যের মধ্যস্থতাকারী কমিটি সুপ্রিম কোর্টে তাদের অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা দেয়।
১৮ জুলাই- সুপ্রিম কোর্ট মধ্যস্থতা চালিয়ে যেতে বলে, ১ অগাস্ট রিপোর্ট জমা দেওয়ার দিন ধার্য হয়।
১ অগাস্ট- মধ্যস্থতা সংক্রান্ত রিপোর্ট বন্ধ খামে সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ে।
৬ অগাস্ট- সুপ্রিম কোর্ট জমি মামলায় দৈনিক ভিত্তিতে শুনানির কথা জানায়।
১৬ অক্টোবর- সুপ্রিম কোর্টে শুনানি শেষ হয়, রায়দান মুলতুবি রাখা হয়।
৯ নভেম্বর’২০১৯- অযোধ্যা মামলায় সুপ্রিম রায় ঘোষণা সকাল সাড়ে দশটায় সে জায়গাটিতে মন্দির তৈরির পক্ষেই এবং মসজিদের জন্য বিকল্প জায়গা নির্ধারণ করে চূড়ান্ত রায় দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

রায়ের অংশ বিশেষ:
* অযোধ্যায় বিতর্কিত জমি রামলালার।
* মসজিদ তৈরির জন্য বিকল্প জমি।
* অযোধ্যার ঐতিহাসিক রায়ে একমত ৫ বিচারপতি।
* অযোধ্যায় উপযুক্ত স্থানে সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে ৫ একর জমি দেওয়া হোক।
* নির্মোহী আখড়ার দাবি খারিজ।
* মন্দির নির্মাণের জন্য ৩ মাসের মধ্যে ট্রাস্ট তৈরি করুক কেন্দ্র।
* সুপ্রিম কোর্ট বলে, ধর্মতত্ত্ববিদ ও হাদিসের ব্যাখ্যা করা অনুচিত হবে।
* নির্মোহী আখড়া সেবায়েত নয়। রামজন্মভূমিও ‘জুরিস্টিক পার্সন’ নয়।
* মালিকানা প্রমাণে ব্যর্থ মুসলিম পক্ষরা।
* এএসআই রিপোর্ট খারিজ করা যায় না।
* খালি জমিতে তৈরি করা হয়নি বাবরি মসজিদ, এএসআই রিপোর্টে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছোনো যায়।
* সেখানে দ্বাদশ শতকের কাঠামো ছিল, এ ব্যাপারে সহমত পোষণ করে সুপ্রিম কোর্ট।
* ১৯৪৯ সালের ২২-২৩ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের কেন্দ্রীয় গম্বুজের ভিতর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছিল। এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণকে স্বীকৃতি সুপ্রিম কোর্টের।
* বিতর্কিত জমিটিকে এক ও সামগ্রিকভাবে দেখতে হবে।
* সীতা রসোই, রাম চবুতরা, ভাণ্ডার গৃহের অস্তিত্ব ওই জায়গার ধর্মীয় সত্যতার প্রমাণ।
* শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের এসএলপি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে।

এই রায়ের ফলে অবসান হল দীর্ঘ প্রায় ৫০০ বছরের বিতর্ক।

-বিবিসি ও দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ