মানবাধিকার সংস্থা অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খানকে বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশন জানিয়েছে, অধিকারের তহবিল থেকে অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্ত করতেই তাকে তলব করা হয়।
সপ্তাহ খানেক আগে দুর্নীতি দমন কমিশন থেকে মানবাধিকার সংস্থা অধিকারকে যে চিঠি দিয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছিল তাতে অর্থ পাচারের বিষয়টিই ছিল মূল অভিযোগ।
প্রায় তিন বছর আগে সংগঠনটির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিদেশ থেকে আসা ৯৭ হাজার ইউরো যা এক কোটি টাকার সমান সেটি নিয়ে এ অভিযোগ তোলে কমিশন।
কিন্তু সম্পাদক আদিলুর রহমান খান বলেছেন তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতেই তার সংগঠনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মনগড়া অভিযোগ আনা হয়েছে।
বুধবার ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশন অর্থাৎ দুদকের তদন্তকারীর কর্মকর্তার জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়ার পর আদিলুর রহমান বলেন, অভিযোগ সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য না দিয়ে একতরফা ভাবে তাকে ডাকা দুদকে ডাকা হয়।
“অধিকার যেন নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কার্যক্রম বন্ধ করে সেজন্যই অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।”
“আমরা সব ব্যাংকের লেনদেনের তথ্য সহ আনুষঙ্গিক সব কাগজপত্র কমিশনকে দিয়েছি। অধিকারের ওপর যেই নিপীড়ন চলছে সেটি মোকাবেলা করেই আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”
মি. খান বলেন, বাংলাদেশের নিরাপত্তা হেফাজতে নির্যাতন বন্ধের জন্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে যৌথভাবে ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবেই তাদের তহবিলে এ অর্থ এসেছে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েই।
“এ প্রকল্পে আসা বৈদেশিক সহায়তার যেটুকু ব্যয় করা হয়েছে তাতে কোন ধরনের অস্বচ্ছতা নেই। আর বাকী অর্থ ব্যাংকেই পড়ে আছে যার লেনদেন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বন্ধ রয়েছে। এরপরেও কমিশন আরো যেসব কাগজপত্র চেয়েছে সেগুলো আমরা সরবরাহ করব।”
আদিলুর রহমান খান সাবেক বিএনপি সরকারের সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসাবে কাজ করেছেন।
























