মোরা পত্র লেখক সমাজ (মোপলেস) চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে ৬ আগস্ট ২০১৭ (২২ শে শ্রাবণ) রবিবার সন্ধ্যায় কদম মোবারক এম.ওয়াই উচ্চ বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৭৬তম প্রয়াণ দিবসে এক শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশিষ্ট নাট্য অভিনেতা ও দৈনিক ইনফো বাংলার যুগ্ম সম্পাদক সজল চৌধুরী’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথির আসন অলংকিত করেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মফিজুর রহমান। উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন সাতকানিয়া পৌর সভার মেয়র কবি মো: জোবায়ের। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম আইন কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জি.এস ও মহানগর যুবলীগ নেতা সুমন দেবনাথ। বিশেষ আলোচক ছিলেন গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী অধ্যক্ষ উত্তম কুমার আচার্য, চসিক এর জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুর রহিম, এড. সুচিত্রা লালা (মুন্নী) এপিপি, শচীন্দ্র সিকদার-সুখপ্রভা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী টি.কে সিকদার। বক্তব্য রাখেন রাজনীতিবিদ স্বপন সেন, প্রকৌশলী সনাতন চক্রবর্ত্তী বিজয়, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা উজ্জ্বল ধর, ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দিন গিফারী, ছাত্রনেতা সালাউদ্দিন লিটন, সংগঠক সুভাষ চৌধুরী টাংকু, সংগঠক নোমান উল্লাহ বাহার, সংগঠক লাভলু চক্রবর্ত্তী, কবি আসিফ ইকবাল ও শিল্পী নারায়ণ দাশ। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোপলেস সভাপতি সজল দাশ। প্রধান অতিথি মফিজুর রহমান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাঙালির ভাগ্যাকাশে উজ্জ্বল ধ্রুবতারা হয়ে জ্বলবে অনন্তকাল। তিনি বাঙালিকে প্রথম বিশ্বসভায় পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর সৃষ্টিশীল কর্মের মাধ্যমে। যতই দিন অতিবাহিত হচ্ছে, ততই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে, তাঁর লেখা অমর গান, কবিতা, গল্প ও নাটকের মাধ্যমে। তিনি আরো বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বসাহিত্য ভা-ারকে সমৃদ্ধ করে গেছেন তাঁর সৃজনশীল লেখনীর মাধ্যমে। বাঙালি তাঁর কাছে বারে বারে ঋণী হয়ে থাকবে। যতদিন পৃথিবী থাকবে ততদিন রবীন্দ্রনাথ থাকবে। উদ্বোধক মো: জোবায়ের বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের সকল প্রেরণার উৎস। তাঁর সাহিত্য কর্ম বাঙালির অমূল্য সম্পদ। তিনি নোবেল প্রাপ্তির টাকাও কৃষকদের মাঝে দান করে গেছেন। তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনার একজন মনিষী ছিলেন। তাঁর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য মোপলেস কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান। প্রধান আলোচক সুমন দেবনাথ বলেন, আমাদের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা ও নাটক উজ্জ্বীবিত করেছে। তিনি হাজার বছর বাঙালির হৃদয়ে চির জাগরুক থাকবেন তাঁর সাহিত্য কর্মের জন্য। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু বাঙালিদের কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন সারাবিশ্ববাসীর কবি। বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথের লেখা গান দু’টি দেশের জাতীয় সংগীত, এটি আমাদের গর্বের বিষয়। সভার সভাপতি সজল চৌধুরী বলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাদের অহংকার। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলা সাহিত্যের কথা কখনো ভাবা যায় না। আমাদের প্রত্যাহিক জীবনে রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা ও নাটক দেখে আমারা সর্বদা প্রীত হই। তাঁর প্রয়াণ দিবসে মোপলেস এর এই আয়োজনকে তিনি সাধুবাদ জানান। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ডাঃ আশীষ চৌধুরী, সংগঠক সুজিত দাশ অপু, দীলিপ সেনগুপ্ত, অচিন্ত্য কুমার দাশ, বাবুল চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, ছাত্রনেতা আবদুল্লাহ আল মাছুম, ওয়ায়েস কাদের, সাংবাদিক কাইয়মুর রশিদ, মো: নজরুল ইসলাম, রিদুয়ান পাপ্পু, ছাত্রনেতা এম. মনজুরুল আলম, দীপক লালা, মঞ্জু লালা, রতন ঘোষ, রতন ভট্টাচার্য, রতœারাণী সিংহা, সীমা রক্ষিত, কানু রাম দে, অথৈ মজুমদার, মো: আমিনুল ইসলাম লিটন, রাহুল মিত্র বাপ্পা, রাহুল দাশ, মো: জালাল উদ্দিন, নন্দন পুরোহিত, সমরাজ দে, দেবেন্দ্র দাশ দেবু, মো: জয়নাল আবেদীন, আমির হামজা ও মো: জাফর আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন এড. সুচিত্রা লালা (মুন্নী), নতুন প্রজন্মের শিল্পী রিমি সিন্হা ও শিশু শিল্পী স্বস্তিকা দাশ গুপ্তা হৈমী, তবলায় ছিলেন রূপক দাশ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সজল দাশ।(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)























