৪র্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রবাসী অধ্যুষিত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে নিজ নিজ ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়নে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। যে ইতিহাস হয়ত দীর্ঘকাল তাদের অনুকুলে ও তাদের নামের পাশে শোভা পাবে। তারা হলেন-বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছয়ফুল হক, লামাকাজি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন ধলা মিয়া, দৌলতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমির আলী।
বিশ্বনাথ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইতিহাসে স্বাধীনতার পর ছয়ফুল হকই ১ম ইউপি চেয়ারম্যান যে এই ইউনিয়ন পরিষদে তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্টিক রেকর্ড গড়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করলেন। স্বাধীনতার পর এ ইউপিতে ছয়ফুল হক ব্যতিত আর কোনো চেয়ারম্যান তিনবার নির্বাচিত হতে পারেননি । তিনি ১৯৯৮ সালে, ২০০৩ সালে ও ২০১৬ সালে নির্বাচিত হন।
লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের ইতিহাসে স্বাধীনতার পর কবির হোসেন ধলা মিয়া ১ম ইউপি চেয়ারম্যান, এই ইউনিয়ন পরিষদে তিনবার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে হ্যাট্টিক রেকর্ড গড়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। স্বাধীনতার পর লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদে কবির হোসেন ধলা মিয়া ব্যতিত কোনো ইউপি চেয়ারম্যান তিনবার নির্বাচিত হতে পারেননি।
এদিকে স্বাধীনতার পর গোটা বিশ্বনাথ উপজেলার মধ্যে কবির হোসেন ধলা মিয়া ২য় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে পরপর তিনবার ২০০৩, ২০১১ ও ২০১৬ সালে জিতে হ্যাট্টিক রেকর্ড গড়লেন। এর পূর্বে স্বাধীনতার পর গোটা বিশ্বনাথ উপজেলার মধ্যে ১ম ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মরহুম আবুল কালাম রফু মিয়া পরপর তিনবার জিতে ১ম হ্যাট্টিক রেকর্ড গড়ে ইতিহাসে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখিয়েছেন।
দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইতিহাসে স্বাধীনতার পর আমির আলী ১ম ইউপি চেয়ারম্যান এই ইউনিয়ন পরিষদে দুইবার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে রেকর্ড গড়ার বিরল কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। স্বাধীনতার পর দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদে আমির আলী ব্যতিত আর কোনো ইউপি চেয়ারম্যান দুই বার নির্বাচিত হতে পারেননি। আমির আলী ২০০৩ সালে ও ২০১৬ সালে নির্বাচিত হন।























