নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই দিনের পর দিন নিজ স্কুলের শিক্ষার্থীদের কোচিং করিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন শিক্ষকরা। ঢাকার এমন ২১টি স্কুলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করতে মাঠে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। প্রাথমিক পর্যায়ে এসব শিক্ষকদের তালিকা করে পরবর্তীতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি।
ভেতরে পড়াশোনায় ব্যস্ত সন্তান। আর বাইরে মায়েদের অধীর অপেক্ষা। ক্লাস শেষে সন্তানকে নিয়ে ঘরে ফিরবেন, অপেক্ষাটা সেজন্য নয়। বরং দৌড়াতে হবে কোনো কোচিং সেন্টার কিংবা প্রাইভেট শিক্ষকের কাছে। ক্লাসে যেসব শিক্ষকরা ভালো করে পড়ান না, বাধ্য হয়ে কোচিং করাতে হয় এমন শিক্ষকদের কাছেই। আতঙ্ক, পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়া এবং নম্বর কম পাওয়া।
যেসব স্কুলের শিক্ষকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করান এবং স্কুল চলাকালীন অন্য কোন কোচিংয়ে সময় দেন, সেসব স্কুলের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। গঠন করা হয়েছে বিশেষ টিম।
একুশটি স্কুলের মধ্যে রয়েছে মতিঝিল আইডিয়াল, ভিকারুন্নিসা নুন, ধানমন্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ, আজিমপুর গভর্নমেন্ট গার্লস, রাজউক উত্তরা মডেল এবং মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হবে এসব স্কুলের অভিযুক্ত শিক্ষকদের। পরে প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ম্যানিজিং কমিটিকেও। অভিযোগ প্রমানিত হলে জড়িত বিরুদ্ধে নেয়া হবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা।
এর আগে ঢাকা মহানগরীর ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভর্তি বাণিজ্যে ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে সতর্ক করেছিল দুদক।
























