জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহে স্ত্রী খাদিজা খাতুন নামে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে স্বামী আবু সাইদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতন করায় সম্প্রতি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এরপর স্ত্রী বাদি হয়ে স্বামীসহ তার শশুর-শাশুড়িকে আসামী করে মাগুরা আদালতে মামলা দায়ের করছেন। মামলা করার পর দুলাভাই ফারুক হুসাইনকে দিয়ে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি প্রদর্শন ও জীবনাশের হুমকিসহ ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এঘটনায় স্বামী আবু সাইদ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি জিডি করেছেন (জিডি নং-২০৪ তারিখ ০৫-০৪-১৬ইং)।
জানা গেছে, ২০১০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পারিবারিক ভাবে যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের ইউনূছ আলী মোল্লার ছেলে আবু সাইদ স্থানীয় টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজে চাকুরিরত অবস্থায় মাগুরা জেলার শালিকা উপজেলার কুমারকোটা গ্রামের মৃত তোতা মিয়ার মেয়ে খাদিজা খাতুনকে বিয়ে কনের। বিয়ের পর তাদের কোল জুড়ে আসে একটি ছেলে সন্তান। স্বামী-স্ত্রী ঝিনাইদহ শহরের কাঞ্চননগর পাড়ায় বসবাস করতে থাকেন। অভিযোগ করা হয়েছে দুলাভাই ফারুক হুসাইনের প্ররোচনায় স্ত্রী তার স্বামীর উপর নির্যাতন শুরু করেন।
স্ত্রী তার স্বামীকে বলতে থাকেন দুলাভাই ফারুক মাগুরা ইনকাম ট্যাক্স অফিসে নাইট গার্ডের চাকুরি করে শেখপাড়া গ্রামে বাড়ি ও একের পর এক জমি ক্রয় করছেন। তুমি পারনা কেন ? তখন স্বামী স্ত্রীকে বলে আমিতো কোন দুর্নীতি করিনা এবং তোমাকে বাড়ি-গাড়ির করে দিতে পারবো না। ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর সন্তান বাসায় রেখে পিতার বাড়িতে চলে যায় স্ত্রী খাদিজা।
এসময় স্ত্রীর আচরণে ক্ষুদ্ধ আবু সাইদ একতরফা কোর্টের মাধ্যমে তালাক এবং খোরপোষ ও কাবিনের টাকা পরিশোধ করে দেয়। পরে আদালতের মাধ্যমে পিতার কাছ থেকে ছেলে আবু উবায়দাকে নিয়ে যাওয়া হয়। জিডিতে আবু সাইদের উল্লেখ করেন, বর্তমান ১০ লাখ টাকা না দিলে তার ছেলেকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
























