সিরিয়ার হোমস প্রদেশ ও রাজধানীতে পৃথক গাড়ি বোমার বিস্ফোরণে অন্তত ১০৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন শতাধিক। এর মধ্যে হোমসের আযযাহরা জেলায় আজ দু’টি গাড়িবোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৫০ জন নিহত ও শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। অপরদিকে রাজধানী দামেস্কের সৈয়্যদা জয়নব আ. এর মাজারের কাছে তিনটি বিস্ফোরণ হয়। এতে অন্তত ৫০ জন নিহত ও ২০০ জন আহত হয়েছেন। খবর, বিবিসি, রয়টার্স, আল-জাজিরা।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো জানায়, রবিবার রাজধানীর সৈয়্যদা জয়নব আ. এর মাজারের কাছে একটি কার বোমার বিস্ফোরণ ও দুইটি আত্মঘাতি হামলা হয়।
অন্যদিকে সকালে হোমসের আযযাহরা জেলায় এক মিনিটের ব্যবধ্যানে জোড়া গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ হয়। হোমসের বিস্ফোরণটি প্রেসিডেন্ট বাশারের আলাউতি শিয়া গোষ্ঠি এলাকায় হয়। পৃথক এ দুই প্রদেশের হামলার ঘটনায় অন্তত ১০৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন শতাধিক। এদের মধ্যে অনেক নারী-শিশু ও সাধারণ মানুষ রয়েছে।
সিরিয়ার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন, আযযাহরা জেলার একটি সড়কে ট্রাফিক লাইটের সামনে অপেক্ষারত দু’টি গাড়িতে এক মিনিটের ব্যবধানে বিস্ফোরণ ঘটেছে।
ব্রিটেনভিত্তিক সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কারণ আহতদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
হোমস শহরে জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। একটি টিভি চ্যানেলের ভিডিওচিত্রে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানপাট,ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ, পুড়ে যাওয়া গাড়ি এবং আহতদের কষ্টের চিত্র দেখানো হয়েছে।
ইসলামিক স্টেটের সমর্থক একটি বার্তা সংস্থা দুই গাড়িবোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে। গত মাসে হোমসে একটি বোমা হামলার দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট (আইএস)। ওই হামলায় অন্তত ২৪ জন নিহত হয়। সরকারি বাহিনী উত্তরের আলেপ্পো শহরেরআইএস নিয়ন্ত্রিত কিছু এলাকা পুনর্দখল করার পর ওই হামলা হয়। রবিবারের হামলাটিও হল সরকারি বাহিনী আইএস এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অগ্রগতি অর্জনের একদিন পরই।
























