শেষ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ভোট দিতে বাধা প্রদান, ব্যালট ছিনতাই ও হুমকিসহ নানা অভিযোগে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর ৩৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। নির্বাচন সহিংসতায় নোয়াখালী, ফেনী ও ময়মনসিংহে তিন জন নিহত হয়েছে।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানান, শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোকতার আহমেদ মৃধা।
মোকতার আহমেদ মৃধা বলেন, নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। পুলিশ ভোটারদের বের করে দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে নিজেরাই ব্যালটে সিল মারছে। তাই তিনি ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
শৈলকুপার উপজেলার বর্জনকারী তিন বিএনপি প্রার্থী হলেন ধলহরাচন্দ্রে আব্দুল বারী মোল্লা, হাকিমপুরে নজরুল ইসলাম ও মনোহরপুর ইউনিয়নের আবুল হোসেন বিশ্বাস।
জালভোট, ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেওয়া ও হুমকি প্রদর্শনের অভিযোগে এনে তারা ভোট বর্জন করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান।
ঢাকার সাভার প্রতিনিধি জানান, ভোটারদের ভোট দিতে না দেওয়া, ব্যালট ছিনতাই ও হুমকি-ধমকির অভিযোগে চার বিএনপি প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
এরা হলেন বিরুলিয়া ইউনিয়নের মাহমুদুল হাসান আলাল, কাঁঠালিয়ার বাসেদ দেওয়ান, ভাকুর্তার সরওয়ার হোসেন ও আশুলিয়ার কাবিল উদ্দিন।
মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, এজেন্টদের মারধর করে ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলে শিবচরের সন্ন্যাসীরচর ইউপিতে বিএনপি প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন মৃধা ভোট বর্জন করেছেন।
গিয়াসউদ্দিন মৃধা সাংবাদিকদের তার বাসভবনে ডেকে বলেন, সকাল থেকেই আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে মারধর করে বের করে দিয়েছে। এরমধ্যে বেশ কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
“কেন্দ্র দখল করে সরকার দলীয় লোকজন যেভাবে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করেছে, সেখানে আর নির্বাচনে থাকা যায় না। তাই আমি ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
নড়াইল প্রতিনিধি জানান, অনিয়ম ও ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধাদানের অভিযোগ তুলে নড়াইলের লোহাগড়ার কোটাকোল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
শনিবার ভোট শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে প্রার্থী খান জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের একথা জানান।
৬৯৮টি ইউপিতে ভোট শেষে চলছে গণনা।
























