আজ ও আগামীকাল
ধীরে ধীরে সব পথ নাই হয়ে যাবে
থাকবে একলা নির্বাক পথিক
মতামত ও সাধারণ জ্ঞান উড়বে আকাশে
পানিতে ভাসবে দেহঘড়ির পরিচিত মহল
শেষ বিকালে ঘুম উবে যাবে প্রহরীর
লাল আভায় মুগ্ধ হবে বেগম সুফিয়া
আবার দেহ পাহারা দিবে ডান ও বাম হাত
মাথা ও পদাবলির ধারাবাহিক কাজ চলমান থাকবে
চারপাশের মানুষগুলো আসল অবয়বে মিছিলে যাবে
তারা পরস্পরকে বলবে ‘অমানুষ’।
স্মৃতি
গাছের মগডালের বড় পাতাটি শুকিয়ে গেলে
দমকা বাতাসে উড়তে উড়তে স্থান নিল জাদুঘরে
এখন দর্শনার্থীরা টিকিট কেটে পাতাটি দেখতে যায়
শেষ বিকেলে অফিস বন্ধ হলে
দারোয়ান পারুল আকাশ পড়তে বসে
ধীরে ধীরে সূর্যের সাথে পারুলের বন্ধুত্ব হয়
দু’জনের রসায়নে শুকনো পাতাটি সবুজায়ন হয়
পাতার নতুন নাম ‘স্মৃতির ডায়েরি’।।
জীবন তরী
একটা সময় সব হারিয়ে নতুন করে
ছুটেছিলাম হাওয়ার পিছে একলা ঘরে
জানালাতে দু’চোখ রেখে মন উতলা
মেঘের পারে নৃত্যরত উদাস ভেলা
পার হয়ে যাই সাতটি পাহাড় এক পলকে
নতুন করে সবুজ পাতায় ডুব সাঁতারে
কয়েক বছর রাতের ঘুমে কেউ ছিল না
শাদা মেঘে উড়ে এলো রাজ ললনা
সাহস এলো পাথর বুকে বিশুদ্ধতায়
জীবন হলো রেশম কোমল ভালোবাসায় ।।
মনো জগৎ
গাছ পরম্পরায় নারী হয়
ফুলগুলো হয় সন্তানসম
হেলে দুলে ডালগুলোসব বন্ধুমহল
অবিরাম ঘুরে বেড়ানো পিঁপড়া সকল
অন্ধকার মাড়িয়ে সকাল হয়
প্রজাপতিরা নানান বাহারে উকি দেয়
পাখিরা সুরে সুরে কুশল জানায়
এক সময় মুখোশ মানবদের রোষানলে
সাজানো সংসার হয় হাট-বাজার
গত মৌসুমের স্মৃতিময় সবুজ
ধীরে ধীরে মলিন আস্তরে ঢেকে পড়ে
এক সময় আবার বিন্দু বিন্দু আলো
কেন্দ্রের সাথে ঐক্য গড়ে ফুলকির মতো
উত্থান হয় আলোকিত মানবের।।
তারা একে অপরকে বলে ‘ভালোবাসি’
একটি ভালোবাসার কবিতা …
























