
নীল অনুরাগ
সারাদিন পোড় খাওয়া তুমি আর আমি
এ কথা কেন বোঝেনি আমাদের অর্ন্তযামী
তোমার কলমি স্নিগ্ধ আঙুলগুলো যখন আদর তুলে
দেহের প্রতিটি বাঁক তখন যায় খুলে খুলে
তুমি খরস্রোতা এক বয়ে যাওয়া অনন্য নদী
আমার দুকূল ভাসিয়ে দিলেও, পেতাম যদি
তোমার স্তনের মিনারে কাল ছিল মনসিজ বন্যা
যেন দূর থেকে দেখেছিল আমাদের অনাগত কন্যা
তোমার কানের ’পরে অবিরাম আমার মন্ত্রণা
থেমে গেলে বাঁচি জানি সে এখন শুদ্ধ না
বেদনা উৎসব রেখে গেলে খাবে বিষনাগ
কোন ঝড়ের রাতে কবরে নামবে নীল অনুরাগ !!

সকল দাও এবার
দেবী জানে আমি চন্দ্রশিলা পাঠ এখনো শিখিনি
দেবীর বুকে লোনাজল এতো আমি আগে ভাবিনি
দেবী বলে হে রাজন্যবর্গ আমার দুধ দিয়ে করাও স্নান
সে আর তুচ্ছ নয়, আমার দুবলা ঘাসের নি:স্ব পরাণ
দেবী বলে ওই যে বৃক্ষ দেখেছো, সেখানে কুড়াও নাজুপাতা
সে তোমার জন্যে রেখেছে খুলে আগুনমুখো হিসাবের খাতা
গতরাতে সিনার মধ্যে কেবল ঘাই মেরেছে দেবী কয়েকবার
আমি চুমুতে চুমুতে বলেছি, দেবী তোমার সকল দাও এবার !!
সম্বোধন আমাকে
আমি জানি খূব কায়দা করে এড়িয়ে যাও তুমি সম্বোধন
এসব বাক্য গঠন আমি ঢের বুঝি, ক্রিয়া পদে বুঝাও অনেক তুমির
কথ্যরূপ। এসব বুঝে ও চুপ চাপ থাকি, চালাকি করিনা।
গন্দম ফল খেতে গিয়ে আদম স্বর্গচ্যূত হয়েছেন। আমি তুমি- হীন
হতে চাইনা কখেনো। আজকাল অনেক হিসাব মান্য করে চলি ,
এইযে তুমি বল ধীরে ধীরে রচিবে বিশদ অমরাবতী-আমি কেবল
চেয়ে আছি অলকানন্দার জলে যেখানে ঢেউয়ের আড়তে আমার
নাম ভেসে ভেসে মেঘের সংগে মিশে জল হয়ে আবারও নামে পৃথিবীতে।
তোমরা যাকে আজ বৃষ্টি নামে ডাকো, সে আমার শিরার জল, সে
অঝোর ধারা যখন গভীর রাতে তখন তারস্বরে কেউ যেন দুলাল!দুলাল!
চিৎকার করে ডাকে । আসলে সে কেউ নয়, আমি আমাকেই ডাকি।
আমার এ নাম কেউ কেউ জানে, শুধু তুমি ছাড়া ! তুমি বলেছে সে দিন
খুব লজ্জা হয়, ধীরে ধীরে ডাকবে আমাকে, জানিনা কতটা শ্রাবণ চলে গেলে
তুমি সর্বনামে আমাকে ডাকবে। সর্বনাম ছাড়া প্রেম হয়না, ভালোবাসা তো নয়ই…
























