সম্প্রসারি
ত রেললাইন স্থাপন করতে বাংলাদেশকে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে এই রেল লাইন স্থাপন করা হবে।
চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া জানিয়েছে, ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই রেলপথের কাজের উদ্বোধন করলেও তহবিলের অভাবে কাজটি বন্ধ হয়ে আছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিভাগের যুগ্ম সচিব সাইফুদ্দিন আহমেদ শিনহুয়াকে বলেন, ‘আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এডিবি। বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের রেলপথ স্থাপিত হলে ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ে করিডোরের মাধ্যমে প্রভুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে।’
রেলপথের দৈর্ঘ হবে প্রায় ১০০ কিলোমিটার।ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে এই রেল পথ করা হবে।
এই প্রকল্পের বিষয়ে এডিবির সঙ্গে দুই দফায় বৈঠক করেছে বাংলাদেশ। এরপর দুই শতাংশ সুদে এই ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ ছাড় দিয়েছে এডিবি।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তের দৈর্ঘ্য ৩০০ কিলোমিটার। শিনহুয়া বলছে, ভবিষ্যতে মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনমিং পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন করা হবে বলে প্রত্যাশা বাংলাদেশের।
এই প্রকল্পের বিষয়ে সরকার বেশ আশাবাদী। কাজটা হয়ে গেলে রেল যোগাযোগ খাতে আরেকধাপ এগুবে বাংলাদেশ।
























