মানিকগঞ্জ নিজ বাড়িতে দিন দুপুরে মেয়েকে হাত পা বেধে এবং মুখে কাগজ গুজে দিয়ে পাশের রুমে মা মাহামুদা বেগম(৪০)নামে এক গৃহবধুকে খুন করেছে দূর্বৃত্তরা। বুধবার মানিকগঞ্জের দক্ষিন সেওতা এই ঘটনা ঘটে।নিহত মাহামুদা দক্ষিন সেওতা এলাকার পল্ট্রি ব্যাবসায়ী অলিয়ার রহমানের স্ত্রী।সে এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জননী।ঘটনার সময় ছেলে বাসায় ছিলো না।সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পরাশোনা করে।মেয়ের বিয়ে হয়েছিলো সে ডিভোর্স প্রাপ্ত বলে জানা গেছে।
মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন,সকাল সাড়ে নয়টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে মেয়েকে হাত পা বেধে ও মুখে কাগজ গুজে দিয়ে পাশের রুমে মাহামুদাকে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক ভাবে দারণা করা হচ্ছে।কি কারণে খুন হয়েছে,খুনের রহস্য কি?আমরা উদঘাটন করার চেষ্ঠা করছি।আশা করছি আল্প সময়ের মধ্যে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো।মরাদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার বিষয়ে মানিকগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি এ্যাডঃআব্দুল মজিদ ফোট বলেন,নিহতের স্বামী অলিয়ার রহমান আমাকে ফোন করে বলে কারা যেনো তার স্ত্রীকে মেরে ফেলেছে।খবর শুনে তাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম ৬/৭ জন যুবক তাদের ঘরে ঢুকে মেয়েকে হাত পা বেধে ও মুখে কাগজ গুজে দিয়ে পাশের রুমে মা কে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত খুজে বের করে বিচার ও শাস্তীর দাবী জানান তিনি।
























