একেই বলে কপাল। রানির ভাগ্যটা বেশ ভালো ছিল যে তিনিপ্রেগনেন্ট হয়ে পড়লেন। না হলে নাকি “ওয়েলকাম ব্যাক” ফিল্মে শ্রুতি হাসানের রোলে তাঁকে দেখা যেত। সেরকমই নাকি কথা চলছিল। আর সেই জন্যই নানা পাটেকরের দ্বিতীয় বোনের রোলটা জুটে গিয়েছিল শ্রুতির। আর ওই রোলটিতে রানিকে দেখতে না পেয়ে বেজায় খুশি রানির ভক্তরা। কেন? ছবিটা যাঁরা দেখছেন তাঁরা উত্তরটা জানেন নিশ্চয়ই।
“ওয়েলকাম”-এর সাফল্যের উপর আস্থা রেখেই পরিচালক আনিস বাজ়মি “ওয়েলকাম ব্যাক” তৈরি করেছিলেন। দর্শকও পরিচালকের উপর আস্থা রেখে টিকিট কেটে ছবি দেখতে গিয়েছিলেন। প্রোডিউসারের ঘরে টিকিটের পয়সা ঢুকলেও দর্শকের মন ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয় ছবিতে দর্শকের বিশ্বাস ধরে রাখতে পারেননি পরিচালক। দর্শক ছবিটি পছন্দ করেননি। আর যে চরিত্রে রানিকে নেওয়ার কথা ছিল সেটি তো অনেকটা গেস্ট অ্যাপেয়ারেন্সের মতো ছিল। সেসব জায়গায় নিউ কামার বা স্ট্রাগলার হিরোইনদের জন্য ঠিক হলেও রানির মতো “মর্দানি”-র জন্য মোটেও আদর্শ নয়। তাই ওসব শ্রুতিরাই কাজ করুন। শ্রুতির কাছে তো ছবিটি বলিউডে পাকা হওয়ার জন্য একটা বড় ব্রেক। এক নিঃশ্বাসে বলে গেলেন রানির এক ঘনিষ্ঠ। প্রেগনেন্ট























