৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

‘বিএনপি আ’লীগের বিদ্রোহীদের কাঁধে ভর করে নির্বাচনে গোলযোগ সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য শুরু থেকেই বিএনপি ষড়যন্ত্র করে আসছে। এই নির্বাচনে আসাও বিএনপির ওই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী বাছাই ও মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রেও তাদের কোনো আগ্রহ নেই। এ কারণে বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের একাধিক যোগ্য লোক থাকায় বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। আর বিএনপি এ বিদ্রোহী প্রার্থীদের কাঁধে ভর করে নির্বাচনে গোলযোগ সৃষ্টির চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।

তৃতীয় ধাপের নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এতগুলো কেন্দ্রের মধ্যে দুয়েকটি স্থানে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। এটি খুবই নগণ্য। যা শূণ্য শতাংশের মধ্যেই আসে।

আজ শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ইউনিয়ন পরিষদের তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, কার্যনির্বাহি সদস্য এনামুল হক শামীম, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।

‘নির্বাচনী কেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তার দায়িত্ব কমিশনের না’ ইসির এমন বক্তব্যর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে হানিফ সাংবাদিকদের বলেন, এটি সঠিক না। কেন্দ্রের ভেতর ও বাইরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ ধরণের ঘটনা আমরা সমর্থন করি না। আমরা চাই সব পেশাজীবীরা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করুক। আমরা বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেব। যদি কাউকে কেউ হয়রানি করে থাকেন, তাহলে প্রশাসনকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হবে।

‘সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের প্রতি সাংবাদিকেরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, এ অভিযোগ আমরা তুলিনি। এফবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে মাহমুদুর রহমান ও শফিক রেহমানের নাম। শফিক রেহমান এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত না থাকলে তার বাসা থেকে এফবিআইয়ের কাগজ থাকবে কেন।

তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে তথ্য যখন বেরিয়ে আসছে, আইনের আওতায় যখন তাদের আনা হয়েছে, তখন বিএনপি নেতারা জনগণের দৃষ্টি ফেরাতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ করে হত্যার ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনার সাথে জড়িত বলেই শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোনো লেখার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি।

হানিফ বলেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, এর সাথে বিএনপির আর কে কে জড়িত রয়েছেন তাও বের করা হবে। তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। প্রমাণ হলেই সাজা হবে। ভবিষ্যতে যেন আর কেউ এমন কিছু করার দুঃসাহস না দেখায়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ