তৃতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাউদ্দীন। শনিবার বাফুফের সাধারণ নির্বাচনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান পোটন।
শনিবার সকাল থেকে নির্বাচনকে ঘিরে ক্রীড়াঙ্গণ পাড়া ছিল সরগরম। বাংলাদেশের ফুটবলের ভার অভিজ্ঞ কাজী সালাউদ্দিনের হাতেই থাকছে, নাকি আগামী চার বছর বাংলাদেশের ফুটবল অঙ্গন সামলানোর ভার সংসদ সদস্য কামরুল আশরাফ খান পোটনের হাতে উঠছে এমন উত্তেজনায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছিল।
দুপুর ২টায় রাজধানীর রেডিসন হোটেলে শুরু হয় ভোটগ্রহণ, চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে ছিলেন মেজবাহউদ্দিন আহমেদ। ভোটগ্রহণ শুরুর আগে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বাফুফের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতি (১), সহ-সভাপতি (৪), সদস্য (১৫)- এ পদগুলোতে ফুটবল ফেডারেশনের নির্বাচন হবে। এবারের নির্বাচনে ফুটবল ফেডারেশনের গুরুত্বপূর্ণ পদ সিনিয়র সহ-সভাপতির জন্য কেউই লড়েন নি। কেননা, গেল ২০ এপ্রিল ‘ফুটবল বাঁচাও’ জোটের সিনিয়র সহ-সভাপতির পদ থেকে দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুল, মঞ্জুর কাদের ও লোকমান হোসেন ভুঁইয়া মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় কাজী সালাউদ্দীনের ‘সম্মিলিত পরিষদ’ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিনিয়র সহ-সভাপতির পদ অক্ষুণ্ণ রাখেন গেলবারের নির্বাচিত সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী।
সভাপতি পদের জন্য লড়েছেন বাফুফের বর্তমান সভাপতি, সম্মিলিত পরিষদের কাজী মো: সালাউদ্দীন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বাঁচাও ফুটবল জোটের কামরুল আশরাফ খান পোটন। স্বতন্ত্র থেকে পদটিতে প্রার্থী হিসেবে ছিলেন আরো দুজন। একজন গোলাম রাব্বানি হেলাল আর অপরজন নুরুল ইসলাম নুরু। তবে গোলাম রাব্বানি হেলাল ২৭ এপ্রিল সম্মিলিত পরিষদের সভাপতি প্রার্থী কাজী সালাহউদ্দিনকে সমর্থন দিয়েছেন আর নুরুল ইসলাম নুরু গেল ২৩ এপ্রিল শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে উপস্থিত হয়ে সমর্থন দিয়েছেন ‘বাঁচাও ফুটবল’ পরিষদের সভাপতি প্রার্থী কামরুল আশরাফ খান পোটনকে।
























