প্রথমবারের মত আইপিএলের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পূরণ হলো সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের। গুজরাটকে ৪ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বাধীন দলটি। কাঁধের ইনজুরির কারণে এদিন মাঠে ছিলেন না হায়দ্রাবাদের নির্ভরতার প্রতীক বাংলাদেশি কাটার মাস্টার মুস্তাফিজুর রহমান।
গুজরাটের দেয়া ১৬৩ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলে হায়দ্রাবাদ। দলীয় শতরানে যাওয়ার আগেই প্রথম সারির পাঁচ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে পাঠায় গুজরাটের বোলাররা। এক প্রান্ত আগলে মহাযুদ্ধে ঝাপিয়ে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন ওয়ার্নার। ৯৩ রান করে নট আউট থাকেন অস্ট্রেলিয়ান এ বাঁহাতি হার্ডহিটার। ৫৮ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ১১টি চার ও ৩টি বিশাল ছক্কা।
শেষ দিকে ওয়ার্নারকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ১১ বলে ২৭ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে দলের জয়ে ভূমিকা রাখেন বিপুল শর্মা। গুজরাটের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন অদ্ভুত বাঁহাতি স্পিনার সিভিল কৌশিক ক্যারিবিয়ান পেসার ডুয়াইন ব্রাভো। ডুয়াইন স্মিথ নেন একটি উইকেট।
এর আগে শুক্রবার রাতে টসে জিতে গুজরাট লায়ন্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় হায়দ্রাবাদের অধিনায়ক ওয়ার্নার। ব্যাট করতে নেমে ব্রেনডন ম্যাককুলাম ও অ্যারন ফিঞ্জের ব্যাটে চড়ে ১৬২ রানের মাঝারি পুঁজি পায় গুজরাট। ম্যাককুলাম ৩২ এবং ফিঞ্জ ৫০ রান করেন। ফিঞ্জের ৩২ বলের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ২টি ছক্কার মার।
অতিমানবীয় এক ইনিংস খেলে দলকে ফাইনালে তোলায় ম্যাচ শেষে মহাযুদ্ধের নায়ক সেই ডেভিড ওয়ার্নার। ম্যান অব ম্যাচের পাঁচ লাখ রুপীর বিশাল চেকটা তাই শোভা পায় হায়দ্রাবাদ অধিনায়কের হাতেই। এবার মুস্তাফিজদের চোখে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন পূরণে ২৯ মে রবিবার রয়েল চ্যালেঞ্জার বেঙ্গালুর বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচে মাঠে নামবে মুস্তাফিজ-ওয়ার্নাররা।
























