মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি:
আর্থনিউজ২৪: শান্তিচুক্তি শতভাগ বাস্তবায়ন না হলে পাহাড়ে আগুন জ্বলবে মন্তব্য করেছেন বান্দরবানের লামায় অনুষ্ঠিত পার্বত্য শান্তি চুক্তির ১৮তম বর্ষপূর্তিতে বক্তারা। এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় নানান কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপিত হয়। বর্ষপুর্তি উৎযাপন উপলক্ষ্যে উপজাতিদের এক বিশাল র্যালী লামা কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার থেকে শুরু হয়ে লামা বাজার প্রদক্ষিণ শেষে চাম্পাতলী স্কুল মাঠে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শত শত নৃ-গোষ্ঠী নারী পুরুষের অংশগ্রহণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বর্ষপুর্তি র্যালী ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, জেএসএস লামা উপজেলা শাখার সভাপতি অংগ্য মং মার্মা। প্রধান অতিথি ছিলেন, পার্বত্য জনসংহতি সমিতির বান্দরবান জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও রোয়াংছড়ি ৪নং নোয়াপতং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সম্ভু কুমার তংচংগ্যা। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, লামা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক অংথোয়াই হ্লা মার্মা, জেএসএস লামা উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার আসাম, জেএসএস লামা শাখার সহ-সম্পাদক চংপাত ¤্রাে, পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ লামা শাখার সাধারণ সম্পাদক উথোয়াইছা মার্মা ও জেএসএস’র নাইক্ষ্যংমুখ ইউনিট কমিটির সভাপতি মেংলং ¤্রাে, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (পিসিপি) সভাপতি সুইগ্যমং মার্মা ও জেএসএস নারী নেত্রী উষাংপ্রু মার্মা সহ প্রমূখ।
বক্তারা বলেন, শান্তিচুক্তি শতভাগ বাস্তবায়ন না হলে পাহাড়ে আগুন জ্বলবে। সরকার আমাদেরকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি বানিয়ে অপমান করে চলেছে। আমরা আদিবাসী স্বীকৃতি চাই। আমরাও মানুষ! আমাদেরকে অবহেলা করবেন না। সরকারের দৃষ্টি ভঙ্গির দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে এলাকার কতিপয় কিছু ভূমি দস্যুরা আমাদের উপজাতিদের জায়গা জমি জবর দখল করে নিয়ে যাচ্ছে।
র্যালীতে অংশগ্রহণকারীরা নানান স্লোগান দেয়। একটি গুলি চললে-১০টি গুলি চলবে, জ্বালাও জ্বালাও-আগুন জ্বালাও, পার্বত্য ৩ জেলাকে জুম্মল্যান্ড ঘোষণা-করতে হবে করতে হবে, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন- করতে হবে করতে হবে, সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার-করতে হবে করতে হবে, পাহাড়ি এলাকায় বাঙ্গালী-থাকবেনা থাকবেনা,
























