আসন্ন পবিত্র কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করছেন নোয়াখালীর কৃষক ও খামারিরা। পশু বিক্রির সময় ঘনিয়ে আসায়, দিনরাত কাজ করছেন তারা। বেশি লাভের আশায় পরম যত্নে গরু মোটাতাজাকরণ করছেন খামারিরা।
দেশীয় গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায়, ঈদকে সামনে রেখে ছোট-বড় খামারের পাশাপাশি গরু মোটাতাজাকরণ করছেন অনেক কৃষকও। ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে দেশীয় সবুজ ঘাস-খড়ের পাশাপাশি খৈল, ছোলা ও ভুসি খাওয়ানোর মাধ্যমে গরু মোটাতাজা করছেন তারা।
খামারিরা জানান, কোরবানিতে ভালো দাম পাওয়ার আশায় এখন এখন থেকে গরুকে ভালোভাবে যত্ন করে যাচ্ছেন তারা। বিগত বছরে লাভের আশায় গরু পালন করলেও, বাজারে ভারতীয় গরু বেশি থাকায় লোকসানের মুখে পড়েন বলে অভিযোগ খামারিদের। তবে এ বছর ভারত থেকে গরু আসা বন্ধ থাকলে লাভবান হবেন বলে জানান তারা।
নোয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাজী রফিকুজ্জামান জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গো-খাদ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে খামারিরা কিছুটা সমস্যায় ছিল।
তিনি বলেন, ‘আমরা খামারগুলোতে নিয়মিত পরিদর্শন করছি। নোয়াখালী জেলায় চাহিদার চেয়েও বেশি পশুর ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে এই জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায় পাঠানো যাবে।’
নোয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় সাড়ে ৫ হাজার খামারে ৬৫১৯৩টি ষাঁড়, ১৮২৫১টি বলদ, ১৮১০১ গাভিসহ মোট ১০১৫৪৫টি গরু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ৭০৯১টি মহিষ, ৪৪৯৩০টি ছাগল ও ১১৮০৫টি ভেড়ার প্রাপ্যতা রয়েছে। জেলায় প্রয়োজন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৭০টি পশু। প্রাপ্যতা ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৭৮টি পশু। উদ্ধৃত রয়েছে ১৫ হাজার ৬০৮টি পশু।
























