কেউ বাবা মায়ের সঙ্গে পালিয়ে বেড়াচ্ছে, কেউ মায়ের সঙ্গে বাড়িতেই আছে। কিন্তু প্রতিপক্ষের লোকজনের ভয়ে বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না। ফলে ২ এপ্রিল নির্বাচনী সহিংসতার পর লালপুর উপজেলার বাকনাই, মমিনপুর ও মহরকয়া গ্রামের দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে।
শুধু মঞ্জিলপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়েই ওই তিন গ্রামের প্রায় ১শ’ শিক্ষার্থী এক মাসের বেশি সময় ধরে ক্লাসে অনুপস্থিত থাকছে বলে জানান এক শিক্ষক। এছাড়া একই কারণে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরাও স্কুলে যেতে পারছে না বলে জানান বাকনাই এলাকার লোকজন। অনেকের বইখাতা প্রতিপক্ষের লাগানো আগুনে পুড়ে গেছে। কারো বইখাতা ছিঁড়ে ফেলেছে হামলাকারীরা। লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ভাগ্য এখন অনিশ্চিত বলে জানান অভিভাবকরা।
বাকনাই এলাকার নারীরা বলেন, ভোট নিয়ে মারামারি, ভাঙচুর ও বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছে বড় মানুষ। কিন্তু এর মাশুল দিচ্ছে স্কুল পডুয়া ছেলে-মেয়েরা। তারা নিরপরাধ ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে এ ব্যাপারে নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের হস্তক্ষেপ আশা করেন।
উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ ইউপি নির্বাচনে লালপুর ইউনিয়নের আ.লীগ সমর্থক মেম্বর প্রার্থী ইউসুফ আলী ও আব্দুল হান্নানের সমর্থকদের সংঘর্ষের জের ধরে উভয়পক্ষের ২০টি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
























