[ad id=”28167″]কাউন্সিলের মাধ্যমে বিএনপি’র নতুন নেতৃত্ব উঠে আসবে। যারা প্রবীণ তারা দলকে অনেক দিয়েছেন। তাদের অভিজ্ঞ পরিচালনায় দল আজ এপর্যন্ত এসেছে। দল সবসময় প্রবীণদের শ্রদ্ধা ও সম্মান করে। তবে যারা বয়সের ভারে জর্জরিত, এখন আর দলের ভার নিতে পারছেন না তারা হয়তো নিজেরাই সরে দাড়িয়ে তরুণদের জায়গা করে দিবেন। তবে তাদের দেয়া দিক নির্দেশনাই চলবে আগামীর বিএনপি।
বিএনপির সাবেক চিফ হুইপ একসময়ের রাজপথের আলোচিত নেতা জয়নুল আবেদিন ফারুক গণমাধ্যমে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আসন্ন ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে দল তৃণমূল পর্যায় থেকেও নতুন নেতৃত্ব পাবে। দলকে চাঙ্গা করতে এসব নেতাকর্মী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ইউপি নির্বাচনের মাধ্যমে যে শুধুমাত্র নবীণ নেতৃত্ব আসবে তা নয়। সেখানেও প্রবীণ নেতৃত্ব আসবে। নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে চলবে আগামীর বিএনপি। তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রতিনিয়ত সরকারের রোষানলে পড়তে হচ্ছে। নানা প্রতিকুলতা পেরিয়ে তারা এখনো বিএনপির জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ইউপি নির্বাচনে যারা নির্বাচিত হবেন তাদের নেতৃত্বেই তৃণমূল বিএনপি চাঙ্গা হয়ে উঠবে।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, বিএনপি মনে করে ইউপি নির্বাচনের সঙ্গে কাউন্সিলের সম্পর্ক কম। তাই ইউপি নির্বাচনের প্রভাব কাউন্সিলের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। ইউপি নির্বাচন দলীয় ভাবে হওয়ার কারণে সেখানে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি হবেই। দল থেকে বয়জেষ্ঠ্যদেরকে সরিয়ে দেওয়ার কোন সিদ্ধান্ত দল নেয় নি। যেসব বয়োজ্যেষ্ঠ নেতারা এখন দলের জন্য কাজ করতে প্রস্তুত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তাদেরকে অবশ্যই সুযোগ দিবেন।
তিনি আরো বলেন, কাউন্সিলে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে। সবাই ভালো পদ প্রত্যাশা করে। কিন্তু সবাইকে সন্তুষ্ট করাও সম্ভব নয়। তবে পদ পাওয়া না পাওয়া নিয়ে কোন বিশৃঙ্খলা বা কোন্দল হবার সম্ভাবনা নেই।
























