৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চীনে ভ্রমণে না যাওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

চীনে নতুন নিউমোনিয়া সদৃশ করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করায় বাংলাদেশি কোনো নাগরিককে আপাতত দেশটিতে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। একইসঙ্গে চীন থেকে কাউকে না নিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

২৮ জানুয়ারি মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ডায়রিয়ার ওপর এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এই পরামর্শ দেন তিনি।

গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনাভাইরাস পরিবারের নতুন এই ভাইরাসটির প্রথম দেখা মেলে। চীনা কর্মকর্তারা বলছেন, উহানের বন্যপ্রাণী ও সামুদ্রিক খাবারের বাজারে কোনো দূষিত প্রাণী থেকেই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে।

ভাইরাসটি চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে দেশটির বেশ কয়েকটি প্রদেশে ছড়িয়ে গেছে। চীনের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড এবং দক্ষিণ কোরিয়াতেও ভাইরাসটি ছড়িয়েছে। চীনে আক্রান্ত চার হাজার জনের মধ্যে ইতোমধ্যে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

ভাইরাসটির সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য উহান ছাড়াও দেশটির ১৪টি প্রদেশে গণপরিবহন ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে বিমান চলাচলও।

চীনা নববর্ষের ছুটি আর ভাইরাসের কারণে উহানকে ‘লকড ডাউন’ ঘোষণা করায় সেখানকার স্বাভাবিক জীবনে ব্যাঘাত ঘটছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে ভারতের কলকাতাতেও।

বিশ্বব্যাপী প্রকোপ বেড়ে চলা করোনাভাইরাস যাতে বাংলাদেশে আসতে না পারে সেজন্য সতর্ক অবস্থানে আছে বাংলাদেশ সরকার। এ বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ ও কর্মপরিকল্পনা ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, বাংলাদেশে এখনও করোনাভাইরাসের কোনো রোগী শনাক্ত যায়নি। তারপরও করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ