১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রামে মসজিদে আম্বিয়া ও ইউসেপ মেমোরিয়েল স্কুল রক্ষার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামে মসজিদে আম্বিয়া ও ইউসেপ মেমোরিয়েল স্কুল রক্ষার দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুতি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আজ রবিবার (২১.০২.২০১৬) চট্টগ্রাম অনলাইন প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্টিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্য বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা এবং দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনি আমাদের শ্রদ্ধাভাজন। দেশ ও জাতির স্বার্থে আপনার অক্লান্ত পরিশ্রম, ধৈর্য, মেধা, মনন ও ত্যাগের বিনিময়ে দেশ এগিয়ে চলছে। দেশ আপনার নেতৃত্বে এগিয়ে গেছে এবং আরো এগিয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ। আমরা চট্টগ্রাম মহানগরীর বহদ্দারহাটের চান্দগাঁও থানার পূর্ব ষোলশহর এলাকার ওমর আলী মাতব্বর রোডের বাসিন্দা। চট্টগ্রাম শহরের বাড়াই পাড়া হতে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত প্রস্তাবিত ৬ কি.মি লম্বা ও ১০৫ ফুট প্রসস্থ খালের নামে নদী খননের প্রকল্প যেটা সিটি কর্পোরেশন সীমানা নির্ধারণের মাধ্যমে তদারকি করছে তা জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য প্রকল্পটা হাতে নেয়া হয়েছে বলে আমাদের জনান কর্তপক্ষ।

তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরোও বলেন,  এই ব্যয়বহুল প্রকল্পটি বিএনপির তৎকালীন সিডিএর চেয়ারম্যান কর্তৃক গৃহীত। সে সময়েও এলাকাবাসী প্রকল্পটির বিরোধীতা করেছিল। প্রকল্পটি জনসম্পৃক্ততা ছিল না কেবল কর্মকর্তা দ্বারা পরিকল্পিত। উল্লেখ্য, চাক্তাই খাল (মূল খাল) যেমন (২৫-৩০ ফুট) প্রকল্পে খাল খননের নামে ১০৫ ফুট নদী খননে পাঁয়তারা করা হয়েছে। ফলে চাক্তাই খাল (মূল খাল) সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে যাবে। এতে জলাবদ্ধতা নিরসনের চেয়ে প্রকট হবে। প্রকল্প গৃহীত হওয়ার আগে ও পরে এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা, জানানো, মতামত বা পরামর্শ কোনটাই নেয়া হয়নি। নতুন খাল খননের ফলে মসজিদ-ই-আমবিয়া, ইউসেফ বদিউর রহমান মেমোরিয়াল স্কুল, মানুষর ঘরবাড়ি ও স্থাপনা এবং সর্বোপরি গৃহায়নের জন্য জমির সর্বনাশ ছাড়া কিছুই নয়।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন আপনার হস্তক্ষেপে ও নির্দেশে নতুন খাল খননের প্রকল্পটি ৪০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে জরুরি ভিত্তিতে পুনঃবিবেচনার নির্দেশ প্রদানের জন্য এলাকাবাসী আপনাকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি। প্রস্তাবিত খাল পুনঃবিবেচনায় ৪০ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে এবং দক্ষিণ দিকে বিস্তর জায়গা সংযুক্ত করে সীমানা নির্ধারন করলে মসজিদ-ই-আমবিয়া, ইউসেফ বদিউর রহমান মেমোরিয়াল স্কুল, ইমারত, বসতবাড়ি, কৃষি জমি ইত্যাদি অধিগ্রহণ থেকে রক্ষা পাবে। খাল খননের ব্যয়ভার ও ক্ষতিপূরণের টাকাও অবিশ্বাস্যভাবে কমে যাবে। সরকারের জনপ্রিয়তা ও ভাবমূর্তি বেড়ে যাবে। আমরা আপনার নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকব। আল্লাহ আপনার সদয় হোন।

 সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মসজিদ-ই-আমবিয়া পরিচালনা কমিটি ও এলাকাবাসীর পক্ষে মমতাজ উদ্দিন , জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী,  জানে আলম চৌধুরী, হাজী বাদশা মিয়া প্রমুখ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ