পুরান ঢাকার চকবাজার এলাকায় বাসায় আটকে রেখে এক কিশোরীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে ঘটনার ছবি তুলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা টাকা দাবি করছেন বলে কিশোরীর পরিবার জানিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল বুধবার রাতে ওই কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
কিশোরীর এক আত্মীয় জানান, চকবাজারের কাজী রিয়াজ উদ্দিন রোডের একটি বাসায় ১৯ জানুয়ারি বিকেলে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যায় মেয়েটি। বাসাটি কিশোরীর প্রেমিকের বন্ধুর। এ সময় এলাকার চার যুবক ওই বাসায় ঢুকে প্রথমে কিশোরীকে আটক করে। পরে প্রেমিক ও তার বন্ধুকে ভয় দেখিয়ে বাসার আরেকটি কক্ষে আটকে রাখে। অন্য একটি কক্ষে আটকে রেখে ওই চার যুবক ধর্ষণ করে কিশোরীকে। এরপর ওই কক্ষটিতে কিশোরীর প্রেমিককে নিয়ে আসে তারা। ছেলেটি ও কিশোরীর অশ্লীল ছবি তুলে বাসা থেকে কিছু টাকা ও সোনার চেন নিয়ে যায় তারা। ঘটনা প্রকাশ করলে ছবি ইন্টারনেটের ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয় ওই চার যুবক। প্রথমে ঘটনাটি চেপে যায় ওই কিশোরী। কিন্তু একপর্যায়ে ওই চার যুবক টাকা দাবি করে বসে। তখন কিশোরীটি তার মাকে ঘটনাটি জানায়। পরে কিশোরীকে যে বাসায় নির্যাতন করা হয়েছে, ওই বাসার মালিককে জানানো হয়।
গত বুধবার রাতে কিশোরীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এরপর চকবাজার থানায় অভিযোগ করা হলে বুধবার রাতেই স্থানীয় আলামিন, ইয়াছিনসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।
নির্যাতিত কিশোরীর বাড়ি কামরাঙ্গীরচর এলাকায়। তার বাবা রিকশাচালক ও মা গৃহিণী।
এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান চকবাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।
























