আজ রবিবার, ২৫শে বৈশাখ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫তম জন্মজয়ন্তী।। প্রাণের উচ্ছ্বাসে নানামাত্রিক অনুষ্ঠানে তাঁরই লেখা গানে, কবিতায়, নাটকে স্মরণ করা হবে বাঙালির এই বিস্ময়-প্রতিভা, মহামনীষীকে। ১২৬৮ বঙ্গাব্দের পঁচিশে বৈশাখ (১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৬ মে, বাংলা বর্ষপঞ্জির পরিবর্তনে এখন বাংলাদেশে ৮ মে) কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রবীন্দ্রনাথ।
কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, সংগীত, ভ্রমণকাহিনী, চিঠিপত্র, সমালোচনা, চিত্রকলা সমৃদ্ধ হয়েছে তাঁর সৃষ্টিশীলতায়। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য সাহিত্যে তাঁর নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তি বাংলা সাহিত্যকে বিরল গৌরবে উদ্ভাসিত করে।
দিবসটি উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
কবিগুরুর জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। এ বছর মূল অনুষ্ঠান হবে ঢাকায়। আজ বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এবারের প্রতিপাদ্য ‘একুশ শতকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাসঙ্গিকতা’। এতে স্মারক বক্তব্য দেবেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক অধ্যাপক সনত্কুমার সাহা।
























