১লা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এন্ডোসকপি শেষে পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এন্ডোসকপি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২ মে) সন্ধ্যা ৭টায় তার এন্ডোসকপি সম্পন্ন হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

বিএনপি নেত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন সময় সংবাদকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, এর মধ্যে যদি তিনি স্বাভাবিক থাকেন; তা হলে আজ বুধবার (৩ মে) সন্ধ্যার পর মেডিকেল বোর্ড বসবে। সেখানে সিদ্ধান্ত হবে খালেদা জিয়া বাসায় ফিরবেন নাকি হাসপাতালেই থাকবেন।

এর আগে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ২৯ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। নিয়মিত চেকআপ করার পর বাসায় ফেরার কথা থাকলেও তার মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে রাতেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এর আগে গত বছরের জুনে বেগম খালেদা জিয়া হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে এবং তার একটি ব্লকে রিং পরানো হয়।

খালেদা জিয়া বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ওই বছরের ২৭ এপ্রিল তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। একপর্যায়ে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। প্রায় দু’মাস তিনি সিসিইউতে ছিলেন। ১৯ জুন তাকে বাসায় নেয়া হয়। এর মধ্যে করোনার টিকা নেয়ার জন্য খালেদা জিয়া দু’দফায় মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে যান। ১৯ জুলাই করোনার প্রথম ডোজ টিকা নেয়ার পর ১৮ আগস্ট দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেন তিনি।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া কারাগারে যান। করোনা মহামারি বিবেচনায় ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। চলতি বছর পর্যন্ত ছয় দফায় খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ