ফিলিপাইনের ব্যবসায়ী কিম অং বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি যাওয়া ৮ কোটি ১০ লাখ ডলারের মধ্যে আরো প্রায় সাড়ে ৪৩ লাখ ডলার (২০০ মিলিয়ন পেসো) ফেরত দিয়েছেন ।
ফিলিপাইনের অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কাউন্সিলের (এএমএলসি) কাছে গতকাল সোমবার নগদ ওই অর্থ জমা দেন তিনি।
তবে যতক্ষণ না প্রমাণ হচ্ছে ওই টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের,ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলাদেশকে তা ফেরত দিবে না ফিলিপাইন। আজ মঙ্গলবার রিজার্ভ চুরি নিয়ে পঞ্চমবারের মতো ফিলিপাইনের সিনেটে শুনানি চলছে । শুনানিতে এই এ তথ্য জানান এএমএলসির নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া বাকেই-আবাদ।
সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর তোফিস্তো গুইনগোনার এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি জানি, কিম অং গতকাল ২০০ মিলিয়ন পেসো ফেরত দিয়েছেন। এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।তিনি আরো বলেন, মহামান্য, বাংলাদেশের জনগণকে ফেরত দিতে ইস্টার্ন হাওয়াই লেজার কোম্পানি তার আইনজীবীর মাধ্যমে ২০০ মিলিয়ন পেসো এএমএলসির জিম্মায় রেখে গেছে।এর আগে গত ১ এপ্রিল ৪৬ লাখ ৩০ হাজার এবং ৫ এপ্রিল আরো প্রায় ৮ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার ফেরত দেন অং।এদিকে পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা লুটের ঘটনায় ২০ বিদেশি ও বাংলাদেশি কয়েকটি এজেন্সিকে শনাক্ত করেছে।
গতকাল রাজধানীর মালিবাগস্থ সিআইডির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এডিশনাল ডিআইজি শাহ আলম।তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে একটি প্রতিনিধি দল গত ৬ এপ্রিল ফিলিপাইনে গিয়ে ১৪ তারিখে ফিরে আসে। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কায় আরেকটি প্রতিনিধি দল একই দিনে গিয়ে ১৫ এপ্রিল ফিরে আসে। দুই প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আমাদের আজ বিকেলে বৈঠক রয়েছে। বৈঠকে তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
























