২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র বিক্ষোভ সমাবেশ।

আজ ১৮ নভেম্বর বিকাল ৩ ঘটিকার সময় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় সম্মুখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চট্টগ্রাম উত্তর জেলা উদ্যোগে পিঁয়াজসহ নিত্যাপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ছালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং উত্তর জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এড. আবু তাহের এর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তারা বলেন, দেশে আজ আইনের শাসন নেই হেতু পিঁয়াজ ২৫০ টাকায় বিক্রি করছে আওয়ামী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। কেসিনোর ব্যাপারে নামমাত্র কয়েক জনকে গ্রেফতার করলেও পিঁয়াজ এবং চাউল সিন্ডিকেট ভাঙতে সরকার ভয় পায়। নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্য ছাড়াও বিদ্যু, গ্যাস থেকে শুরু করে এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে মানুষ স্বস্তিতে বসবাস করবে। সর্বত্র সরকার রাম রাজত্ব কায়েম করছে। এদেশের অধিকাংশ জনগণ দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছে, সেখানে দিন দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের উর্ধ্বগতির কারণে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে ঘর-বাড়ী ভাড়া মিটিয়ে জীবন নির্বাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে। এরা এত অপরাধ করার পরও আইনের আওতায় এনে তাদের গ্রেফতার করছে না, বাড়ী ভাড়ার কোন নীতিমালাও প্রণয়ন করছে না। আজ ২/৩ মাস যাবৎ বাণিজ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য এমপি ও মন্ত্রী তথা প্রধানমন্ত্রীও বলে যাচ্ছেন পিঁয়াজের মূল্য কমে যাবে বলে দেশের জনগণের সাথে প্রতারণা করছেন। কিন্তু সরকারের কথা কোন ব্যবসায়িরা কর্ণপাতও করছে না। একটি প্রবাদ আছে- ‘চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী’। আজ যদি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হত তাহলে জনগণকে মূল্যায়ন করতো, জনগণের দু:খ, দুর্র্দশার কথা হৃদয় দিয়ে অনুভব করতো। আরেকটি প্রবাদ আছে- তেলের মাথায় তেল দেওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি করছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বৃদ্ধি করেও সরকার কী দুর্নীতি বন্ধ করতে পারছে? তাই এই সরকারের নিকট আকুল আবেদন হলো, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের সহধর্মীনি বেগম খালেদা জিয়া ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব লায়ন আসলাম চৌধুরী সহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন ইসহাক কাদের চৌধুরী, নুরুল আমিন, জসিম উদ্দিন সিকদার, আলহাজ্ব সেকান্দর চৌধুরী, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সেলিম চেয়ারম্যান, নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, মো. কামাল পাশা, রিপন তালুকদার, কাজী মো. সালাহ উদ্দিন, জাকির হোসেন, ফকির আহমেদ, সোলায়মান মঞ্জু, মো. শফিউল আলম চৌধুরী, ফজল বারেক, আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, বদিউল আলম বদরুল, নবাব মিয়া চেয়ারম্যান, আবদুর রহিম, এড. রেজাউনুর ছিদ্দিকী উজ্জ্বল, এস.এম ফারুক, কবীর চেয়ারম্যান, ফারুক মাস্টার, আবুল কালাম আজাদ, গাজী মো. হানিফ, জহিরুল ইসলাম, শওকত আকবর সোহাগ, হারুন অর রশীদ, ওসমান গণি, মো. আজিজ উল্লাহ, আনিস আকতার টিটু, নাসির উদ্দিন, রফিক মেম্বার, জামশেদুর রহমান, আবু নোমান, নাজিম উদ্দিন, মাইন উদ্দিন সিকদার, মনিরুল ইসলাম, নুর উদ্দিন ফরহাদ, কায়সার আহমেদ, কাজী সাকিব, শাহাদাত হোসেন, মো. কবির হোসেন, মো. মনির, মো. কাউসার প্রমুখ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ