গত ১০ই নভেম্বর রবিবার কেন্দ্র ঘোষিত গণতন্ত্র দিবস উদযাপন ও আলোচনা সভা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টি’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নিবার্হী সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মো: নুরুচ্ছফা সরকারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবদুর রব চৌধুরী(টিপু)’র সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা জাপা’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও কর্ণফুলী উপজেল জাপা’র আহ্বায়ক আলহাজ্ব বোরহান উদ্দীন ফারুকী, পটিয়া উপজেলা জাপা’র আহ্বায়ক হান্নান চৌধুরী, লোহাগাড়া উপজেলার আহ্বায়ক মো: ছালেম, চন্দনাইশ উপজেলা জাপা’র আহ্বায়ক সোনা মিয়া চৌধুরী, বোয়ালখালী উপজেলার আহ্বায়ক কাজী মজিবুর রহমান, আনোয়ারা উপজেলা জাপা’র আহ্বায়ক মো: সেলিম, সাতকানিয়া উপজেলা জাপা’র আহ্বায়ক ইউসুফ চৌধুরী, জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক ও কর্ণফুলীর সদস্য সচিব মাহমুদুল বেঙ্গল, দক্ষিণ জেলা জাপা’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও আনোয়ারর সদস্য সচিব মো: হারুনর রশিদ, পটিয়া উপজেলার সদস্য সচিব এম.এ নাছির উদ্দীন, জাপা’র জেলা সদস্য কাজী নুরুচ্ছফা, দক্ষিণ জেলা জাতীয় যুব সংহতি সদস্য সচিব রুপেস সরকার, জেলা সদস্য নুর হোসেন সওদাগর, নাজিম উদ্দীন, আজিম, নোবেল খান, মো: জুয়েল প্রমুখ।
সভায় মো: নুরুচ্ছফা সরকার বলেন, আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি আবার এখন গণতন্ত্রও পেয়েছি। ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর সামরিক শাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। এই যাত্রায় সংবিধানের সপ্তম সংশোধনির রয়েছে প্রধান ভূমিকা। সপ্তম সংশোধনী পাশের মাধ্যমে ১০ নভেম্বর গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা, তাই ২৬শে মার্চ আমাদের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস তেমনি ১৯৮৬ সালের ১০ই নভেম্বর তৃতীয় জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে সংবিধানের সপ্তম সংশোধনী বিলটি উত্থাপন করেন তৎকালীন আইন মন্ত্রী বিচারপতি নুরুল ইসলাম এবং ২২৩ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে কন্ঠ ভোটে বিলটি পাশ হলে গণতন্ত্রের দ্বার উম্মুক্ত হয়। সে সময় আওয়ামীলীগ জোট সংসদের বাইরে অবস্থান নিলেও জাসদ (রব) মুসলিমলীগ, জাসদ (শাহজাহান সিরাজ) বাকশাল ও সতন্ত্র সদস্য লতিফ সিদ্দিকীর স্ত্রী লায়লা সিদ্দিকীর পক্ষে ভোট দেন। সভায় উপজেলা কমিটি সমূহ আগামী ডিসেম্বর ২০১৯ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার অঙ্গিকার ব্যাক্ত করেন সকল উপজেলা আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব।























