ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ায় শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ওলামা লীগ।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংগঠনটির আয়োজনে এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানান বাংলাদেশ ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা আখতার হোসাইন বুখারী।
তিনি বলেন, “দেশের সকল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ফৌজদারি অপরাধে শাস্তি পেলও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার পরও শ্যামল কান্তিকে কোনো শস্তি দেয়া হয়নি। দেশি বিদেশী গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে তার অপরাধের সত্যতা প্রমাণ হয়েছে। অথচ শিক্ষামন্ত্রী এ তদন্ত কমিটির মাধ্যমে শ্যামল কান্তির সাফাই গেয়ে গেলেন।”
তিনি আরো বলেন, ‘‘যোগাযোগমন্ত্রী বাস ড্রাইভারকে প্রকাশ্যে কান ধরালেও সুশীল সমাজের কেউ এর প্রতিবাদ করেনি। কিন্তু শ্যামল কান্তিকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অপরাধে শাস্তি দেয়ায় সেলিম ওসমানের বিরুদ্ধে হাত ধুয়ে বামপন্থীরা লেগে পড়েছে। ”
নাস্তিক্যবাদী ও সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদী পঠ্যপুস্তকের শিক্ষা আইন-২০১৬ এবং শিক্ষানীতি -২০১০ পাশ করা হলে জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মব্যবসায়ীরা সরকার বিরোধী ইস্যু তৈরির সুযোগ পাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে বুখারী বলেন, “বাম রাজনীতির ধারক ও বাহক ইনু-মেনন-নাহিদ-বাদল জোট আওয়ামী লীগের উপর ভর করে তার আদর্শ বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের ব্যানার ছাড়া তার কোনো জনপ্রিয়তা নেই। তাই আওয়ামী লীগের ওপর ভর করা এসব সুবিধাভোগীদের আদর্শ বাস্তবায়ন করে দেশে অশান্তি সৃষ্টি করা যাবে না। ”
রমজানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ও ঈদের ছুটি ১০ দিন করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘বছরে দুইটি ঈদ এ দেশের ৯২ শতাংশ মানুষের প্রধান উত্সব। অথচ এই বিশেষ দিনে মাত্র তিন দিন ছুটি দেয়া হয়। এ কারণে অনেকে ঠিকমত গ্রামের বাড়ি গিয়ে ছুটি কাটাতে পারেন না। পাশাপাশি রমজানে শিক্ষার্থীরা যেন সঠিকভাবে ইবাদত করতে পারে এ জন্য মাসব্যাপী ছুটি দেয়া উচিত। ’’
মানববন্ধনে আরো ব্ক্তব্য দেন- ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান শেখ, সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আব্দুস সাত্তার, বঙ্গবন্ধু ওলামা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, জাতীয় কুরআন শিক্ষা মিশনের সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দীক, বাংলাদেশ এতিমখানা কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাওলানা মুস্তফা চৌধুরী প্রমুখ।
























