ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র জমা দেয়াকে কেন্দ্র করে সাভারে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক সাংবাদিক ও এক যুবলীগ নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে সাভার উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সোমবার সকাল থেকে সাভারের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা উপজেলা চত্বরে গিয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়া শুরু করেন। দুপুর ২টায় তেতুলঝোড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের হয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতার জন্য মনোনয়ন পত্র জমা দেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীবের ভাই ফখরুল আলম সমর।
বিদ্রোহী প্রার্থী এমদাদ হোসেন মনোনয়ন পত্র জমা দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশ করলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তার মনোনয়ন পত্র ছিনিয়ে নেন। এসময় সেখানে রাসেল দেওয়ান নামের এক যুবলীগ নেতাকে মারধর করা হয়। এর কিছুক্ষণ পরেই রাসেল দেওয়ানের পক্ষে সটগান ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফখরুল আলম সমরের লোকজনের উপড় পাল্টা হামলা চালায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দারের অনুসারীরা। এসময় সমর পন্থী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উপড় ২৫/৩০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে তারা। এতে পুরো উপজেলা চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য।
সাভার মডেল থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেল শেখ জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে দাবি করেন তিনি।
























