২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শসার ১৬টি ভিন্ন ব্যাবহার

[ad id=”28167″]

১) মাথা ব্যথা দূর করে
একটানা কাজ করে গেলে মাথাব্যথা হওয়াই স্বাভাবিক যদি মাঝে একেবারেই চোখও বন্ধ না করা হয়। এই ধরণের মাথা ব্যথা দূর করতে কয়েক টুকরা শসা খেয়ে চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকুন অন্তত ৫ মিনিট। দেখবেন মাথা ব্যথা সেরে যাবে।

২) মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে শসা
মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে অনেক কার্যকরী পুদিনা, দারুচিনি ও লবঙ্গ। কিন্তু একই ফলাফল পেতে খেয়ে নিতে পারেন শসা। এতেও মুখের দুর্গন্ধ থাকবে না।

৩) ঢিলে হয়ে যাওয়া চামড়া টাইট করতে
শসা আমাদের ত্বকের কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি পূরণ করতে সহায়তা করে এবং ত্বকের ইলাস্টিসিটি ফিরিয়ে আনে। শসা খাওয়ার পাশাপাশি ত্বকে শসা বা শসার রস ঘষে নিলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

৪) জিনিসপত্রের মরিচা দূর করতে
কাটাকাটি করার ছুরি বা এই ধরণের জিনিসগুলো অনেক দিন ব্যবহার না করলে মরিচা পড়ে যায়। এই মরিচা দূর করতে এক টুকরা শসা কেটে নিয়ে ঘষে নিন ভালো করে। ব্যস সমস্যার সমাধান এবং সেই সাথে ধাঁরও বেড়ে যাবে।

৫) ক্যালরি ছাড়াই ক্ষুধা দূর করবে, কমাবে ওজন
ক্ষুধার সময় অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে ক্যালরি বাড়ানোই ওজন বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ। তাহলে এক কাজ করুন ক্ষুধা পেলেই শসা খেয়ে নিন। এতে ক্যালরি একেবারেই নেই যার ফলে ওজনটা বাড়বে না একেবারেই।

৬) বাগানকে পোকামাকড়ের অত্যাচার থেকে রক্ষা করতে
শখ করে বাগান করলে পোকামাকড়ের যন্ত্রণায় তা টিকিয়ে রাখাই দায়। এক কাজ করুন, একটি এ্যালুমিনিয়াম কৌটোয় কয়েক টুকরো শসা রেখে দিন। এ্যালুমিনিয়ামে শসা রাসায়নিক বিক্রিয়া করে এমন গন্ধের সৃষ্টি করবে যা মানুষের কোনো সমস্যা না করলেও পোকামাকড়কে বাগান ঠেকে দূরে রাখবে।

৭) আয়না ঝকঝকে পরিষ্কার করতে
বাথরুমের শাওয়ার গ্লাস বা বেসিনের আয়নাটাতে ধোঁয়াটে ধরণের দাগের সৃষ্টি হলে তা সহজে উঠতে চায় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এক টুকরো শসা নিয়ে ঘষে দেখুন। খুব সহজেই ঝকঝকে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

৮) দরোজার ক্যাঁচকোঁচ শব্দ বন্ধ করতে
একটু পুরনো হলে বা দরজার নব ঠিক না থাকলে ক্যাঁচকোঁচ করে মাথা ধরিয়ে দেয়। দরোজার কবজায় এক টুকরা শসা নিয়ে ঘষে দিন। বিরক্তিকর শব্দ বন্ধ হয়ে যাবে।

৯) জুতা পরিষ্কার করতে
জুতো ময়লা হয়ে গিয়েছে কিন্তু ঘরে পলিশ নেই? একেবারেই ভাববেন না। জুতো পরিষ্কার করে নিন এক টুকরো শসা দিয়ে। একেবারে চকচক করবে।

১০) দেয়ালের দাগ পরিষ্কার করতে
বাসায় ছোটো শিশু থাকলে দেয়ালে কালি, রঙ বা ক্রেয়নের দাগ তো থাকেই। এই সমস্যা দূর করতে শসার খোসা নিয়ে দাগগুলোতে আলতো করে ঘষে তুলে ফেলুন। দেখবেন খুব সহজে উঠে গিয়েছে।

১১) চোখের ক্লান্তি দূর করতে
দুটো শসার টুকরো দুই চোখে দিয়ে রাখলে সারাদিনের ক্লান্তিভাব চোখ থেকে দূর হবে। চোখের লালচে ভাবও দূর করে শসা। চোখের নিচে ফোলাভাবসহ কালোভাবও দূর করতে পারে।

১২) ফেসিয়ালে
ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে শসার জুড়ি নেই। কয়েকটি মিন্ট পাতার সঙ্গে কয়েক চামচ লেবুর রস ও ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে নিয়ে শসার সঙ্গে। এবার গোটা মুখে মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করুন। টানা ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। শুধু ফ্রেস নয়, চকচকে হয়ে উঠবে ত্বক।

১৩) পিকেলস
আঁচারের স্বাদ আনা যায় কচকচে শসায়। আঁচার বানাতে যেসব উপাদান ব্যবহার করেন তা আস্ত শসার সঙ্গে মিশিয়ে একটি বয়ামে রেখে দিন এক মাস। এরপর খেয়ে দেখুন। এটাকে শসার আঁচার বলতে পারেন।

১৪) সস ও সালসা ডিপ
দইয়ের সঙ্গে শসা বেশ মজা লাগে। দই ও শসা এক করে তা সস হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এর সঙ্গে টমেটো, শস্য দানা এবং মরিচ ব্যবহার করে সালসা ডিপও বানিয়ে নিতে পারেন।

১৫) স্যুপ
শসার স্যুপও তৈরি করা যায়। গরমে ঠাণ্ডা শসার স্যুপ দারুণ শান্তি দিতে পারে। দই ও শসার সস বানিয়ে নিন এক বাটি। এতে হালকা লবণ, মরিচ এবং আদার পাউডার মিশিয়ে মজার স্যুপ হতে পারে।

১৬) স্যান্ডুউচ
খুব সোজা একটি বিষয়। স্লাইস করা শসা দুই পরতের পাউরুটির মধ্যে চালান করে দিন। এর ওপর ক্রিমের আস্তরণ দিন। খুব মজা লাগবে।

মজার মজার রেসিপি, টিপস ও স্বাস্হ্য বিষয়ক পোস্ট রেগুলার আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেইজে ধন্যবাদ। [ad id=”35817″]

http://earthnews24.com/2016/02/35708

Share on facebook
Share on twitter
Share on whatsapp
Share on print

মন্তব্য করুন

সর্বশেষ সংবাদ