এবার নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে উত্তর কোরিয়া।এর আগে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞার হুমকির পায়। দেশটির দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের কাছ থেকে প্রায় একই ধরনের ঘোষণা এসেছে ।
গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। এ নিষেধাজ্ঞার পর চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা কালো তালিকাভুক্ত ৩১টি জাহাজের মধ্যে নাম ছিল ওই জাহাজটির। নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা অন্তত দুটি জাহাজকে চীনা বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হয়নি।
পিয়ংইয়ংয়ের অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। অন্যদিকে নিজ দেশের একটি বন্দরে উত্তর কোরিয়ার জাহাজ ভেড়ানো নিষিদ্ধ করেছে চীন। উত্তর কোরিয়ার একটি মালবাহী জাহাজ ‘গ্র্যান্ড কারো’ কিছুদিন আগে চীনের উত্তরপূর্বের রিঝাও বন্দরে পৌঁছায়। তবে জাহাজটিকে বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন রিঝাও সমুদ্রবন্দর কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে অবরোধ জোরদার করার কথা জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। মঙ্গলবার সিউল সরকার জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৪০ জন ব্যক্তি এবং ৩০টি গ্রুপের ওপর তারা নতুন অবরোধ আরোপ করবে। দক্ষিণ কোরিয়ার জলসীমা থেকে উত্তর কোরিয়ার বন্দরে ১৮০ দিন আগে নোঙর করা বিভিন্ন জাহাজ নিষিদ্ধ করা হবে। উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক পারমাণবিক পরীক্ষা ও দূরপাল্লার রকেট উৎক্ষেপণকে কেন্দ্র করে দেশটির সঙ্গে প্রতিবেশী ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এরমধ্যেই ৭ মার্চ শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ সামরিক মহড়া।
এই মহড়ার আগমুহূর্তে দক্ষিণ কোরিয়ায় পারমাণবিক হামলার হুমকি দেয় উত্তর কোরিয়া। কোরিয়ান পিপল’স আর্মির সুপ্রিম কমান্ডের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যদি এ মহড়া বন্ধ করা না হয়, তাহলে ওই দুই পরস্পর মিত্র দেশে উপর্যুপরি পারমাণবিক হামলা চালানো হবে।
























